1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২৫০ | ঢাকা আওয়ার
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:

আন্দামান সাগরে নৌকাডুবি, বাংলাদেশিসহ নিখোঁজ ২৫০

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

আন্দামান সাগরে একটি নৌকাডুবির ঘটনায় রোহিঙ্গা শরণার্থী ও বাংলাদেশি নাগরিকসহ প্রায় ২৫০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) এ তথ্য জানায়।

সংস্থাটি জানায়, নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই নৌকাটি প্রবল বাতাস, উত্তাল সাগর এবং অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে ডুবে যায়। খবর আল জাজিরার।

মিয়ানমারে নিপীড়নের শিকার রোহিঙ্গারা প্রতি বছরই জীবন ঝুঁকিতে ফেলে সমুদ্রপথে পালানোর চেষ্টা করেন। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা অস্থায়ী ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌযানে করে মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।

বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোস্টগার্ডের একটি জাহাজ গত ৯ এপ্রিল সাগর থেকে ৯ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছে, যার মধ্যে একজন নারী রয়েছেন। কোস্টগার্ডের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, ভাসমান ড্রাম ও কাঠের টুকরো আঁকড়ে ধরে থাকা কয়েকজনকে গভীর সমুদ্র থেকে উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছয়জন মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে এবং তাদের আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

উদ্ধার হওয়া রফিকুল ইসলাম আল জাজিরাকে বলেন, আমাকে মালয়েশিয়ায় কাজ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দালালরা নৌকায় তোলে। আমাদের অনেককে ট্রলারের ভেতরে আটকে রাখা হয়েছিল, সেখানে কয়েকজন মারা যান। তেলের কারণে আমি দগ্ধ হই।

রফিকুল আরও জানান, নৌকাটি চার দিন চলার পর ডুবে যায় এবং উদ্ধার হওয়ার আগে তারা প্রায় ৩৬ ঘণ্টা পানিতে ভাসছিলেন। তার মতে, শ্বাসরোধ ও অতিরিক্ত ভিড়ে ২৫ থেকে ৩০ জন মারা গেছেন।

জাতিসংঘ বলেছে, এই ঘটনা রোহিঙ্গাদের দীর্ঘমেয়াদি বাস্তুচ্যুতি ও স্থায়ী সমাধানের অভাবের ভয়াবহ পরিণতির প্রতিফলন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর অভিযানের পর প্রায় ৭ লাখ ৩০ হাজার রোহিঙ্গা নিজ দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হন। তখন তারা হত্যা, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগের মতো ভয়াবহ নির্যাতনের কথা জানান।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ