1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমে ৩৮ মেগাওয়াটে | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি ১৪০ কোটি টাকা পাচ্ছে বেসরকারি এতিমখানা ডিজিটাল নকলের সাজার বিধান রেখে পাবলিক পরীক্ষা আইন পাস হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংঘাতের শঙ্কা, সারাদেশে সতর্ক পুলিশ আধা ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতেই ডুবল চট্টগ্রাম, ভোগান্তিতে নগরবাসী ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া কীভাবে দেওয়া হবে? স্বর্ণের দামে বড় পতন নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে গোলাগুলি, আতঙ্কে দিগ্বিদিক ছুটলেন পথচারীরা আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান যুদ্ধের খরচ মেটাতে ৮০ বিলিয়ন ডলার চাইল পেন্টাগন

কর্ণফুলী বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৪ ইউনিট বন্ধ, উৎপাদন নেমে ৩৮ মেগাওয়াটে

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

‎বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও দেশজুড়ে তীব্র লোডশেডিংয়ের মধ্যে রাঙামাটির কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন নেমে এসেছে মাত্র ৩৮ মেগাওয়াটে। কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর কমে যাওয়ায় কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে চারটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে মাত্র একটি ইউনিট চালু রেখে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে।

‎সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দৈনিক ২৪০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে পানির সংকটের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। কাপ্তাই হ্রদের স্বাভাবিক পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট (এমএসএল) হলেও রুল কার্ভ অনুযায়ী বর্তমানে পানির স্তর থাকার কথা ৮৩ ফুট (এমএসএল)। কিন্তু পানি আছে প্রায় ৭৭.২০ ফুট (এমএসএল) যা নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে ৫.৪ ফুট কম।

‎পানির এই ঘাটতির কারণে এক, তিন, চার ও পাঁচ নম্বর ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে শুধু দুই নম্বর ইউনিট চালু রয়েছে, যার মাধ্যমে সীমিত আকারে ৩৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হচ্ছে।

‎কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রতিদিন গড়ে ০.১৮ থেকে ০.২০ ফুট হারে হ্রদের পানির স্তর কমছে। অনাবৃষ্টি ও তীব্র তাপদাহের কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এই অবস্থা অব্যাহত থাকলে এবং আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাত না হলে উৎপাদন আরও কমে যেতে পারে। পানির স্তর ৭০ ফুটের নিচে নেমে গেলে কেন্দ্রটির উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

‎কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, পানির অভাবে কেন্দ্রের চারটি ইউনিট বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্ষা মৌসুম শুরু না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট হতে উত্তরণ সম্ভব নয়।

প্রসঙ্গত,এর আগে ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল বিদ্যুৎ উৎপাদন সর্বনিম্ন ২৫ মেগাওয়াটে নেমে এসেছিল।‎

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ