1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
দেশে প্রতি বছর ১৫ বছরোর্ধ্ব ১৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন

দেশে প্রতি বছর ১৫ বছরোর্ধ্ব ১৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬

‘শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪’ অনুযায়ী এ তথ্য পাওয়া গেছে। জরিপটি ‘লেবার ফোর্স সার্ভের মাধ্যমে শ্রমবাজার তথ্য উন্নয়ন’ শীর্ষক একটি প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বাস্তবায়ন করেছে।

সংসদ অধিবেশনে গতকাল প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য জয়নাল আবদিন ফারুকের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য তুলে ধরেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, জরিপ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির—যেখানে ১৫ বছর বা তার বেশি বয়সী কর্মরত ও বেকার উভয় শ্রেণীর মানুষ অন্তর্ভুক্ত—সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজারে। এর মধ্যে পুরুষ ৪ কোটি ৮০ লাখ ২০ হাজার ও নারী ২ কোটি ৩৬ লাখ ৯০ হাজার। শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর গড়ে ১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী ১৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষ শ্রমবাজারে যুক্ত হচ্ছে।

তিনি আরো জানান, ২০২৬ সালে পরবর্তী শ্রমশক্তি জরিপ পরিচালনার জন্য পরিকল্পনা কমিশনে একটি প্রকল্প প্রস্তাব বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালীকরণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের নেয়া ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১০ শতাংশেরও কম এবং প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে; যেখানে অপচয় ও দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এ তথ্য সরকারি নথির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং যেহেতু প্রকল্পগুলো পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নেয়া, তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত।

তবে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নেয়া প্রকল্পগুলো গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে। আমরা যদি গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে চাই এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করতে চাই, তাহলে প্রথম অগ্রাধিকার হতে হবে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন। সরকার বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণে কাজ করছে, যা সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপকারে আসবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।’

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ‘সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে উন্নয়ন প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন। কোনো প্রকল্প স্থানীয় জীবনমান উন্নয়ন ও জীবিকা বৃদ্ধির জন্য উপযোগী ও কার্যকর হলে তা ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য বিবেচনা করা হবে। কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন ও গ্রামীণ উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোয় আরো ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক সংবাদ দেয়া সম্ভব হবে।’

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ