1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
নীলফামারীতে তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক | ঢাকা আওয়ার
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৫:২৮ অপরাহ্ন

নীলফামারীতে তরুণীকে বিয়ে করলেন চীনা যুবক

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬

নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে কর্মরত এক তরুণীকে বিয়ে করেছেন চীনা যুবক। রোববার (২১ জুন) রাতে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

কনে সদর উপজেলার সংগলশী এলাকার বাসিন্দা জুয়েল হোসেনের মেয়ে মোছা মাইশা আক্তার জুঁই ও বর চীনা নাগরিক লিয়াউ বেইরু ছেলে মিস্টার লিয়াউ জিচুন, বর্তমান তার নাম নুর মোহাম্মদ বলে জানা যায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ জুন মেয়ের পরিবারের সম্মতিতে কোর্ট অ্যাফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। মিস্টার লিয়াউ জিচুন মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করে ৩ লাখ ২৫১ টাকা দেনমোহরের মাধ্যমে নগদ ৫ হাজার টাকা দিয়ে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। জুঁই উত্তরা ইপিজেডের মেইগো বিডি লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। সেখানে কর্মরত এক ব্যক্তির মাধ্যমে ওই চীনা নাগরিকের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে পরিবারের সম্মতিতে কোর্ট অ্যাফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় এবং গত ১৮ জুন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ হয়।

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই বিয়ের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে কনেকে মাইক্রোবাসে ওঠার সময় কাঁদতে দেখা যায়। এরপরই অনেকে দাবি করেন এটি কোনো স্বাভাবিক বিয়ে নয় বরং তিন বছরের জন্য ১০ লাখ টাকার একটি চুক্তি। তবে এ বিষয়ে জুইয়ের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করে চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

স্থানীয় এক বাসিন্দা লিটন ইসলাম বলেন, আমার জানামতে, তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পরিচয় ছিল। পরে তারা বিয়ে করেছে কিন্তু অনেকে বলছে চুক্তিতে বিয়ে হয়েছে।

এ বিষয়ে জুঁইয়ের বাবা জুয়েল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারব না, বিবাহিত দম্পতি কোথায় আছে জানতে চাইলে তিনি এসব বিষয় কোনো কথা বলতে চান না।

নীলফামারী সদর থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিল্লুর রহমান বলেন, আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি, তারা কোর্ট অ্যাফিডেভিটের (হলফনামা) মাধ্যমে বিয়ে করেছেন। ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে তিন বছরের চুক্তিতে বিয়ের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ