ইরানের প্রথম জাতীয় সঙ্গীত ছিল সলামেতি-ইয়ে শাহ। এই সঙ্গীতটি মোজাফফার শাহ আল-দিন কাজারের রাজত্বকাল থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত ইরানের জাতীয় সঙ্গীত ছিল। ১৯৩৩ সালে পহ্লব রাজবংশের শাসনকালে সরুদ-এ শাহেনশাহি ইরান নামে অপর একটি সঙ্গীতকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়। ১৯৭৯ সালে পহ্লব রাজবংশের শাসনের অবসানের পরে ইরানে নতুন জাতীয় সঙ্গীত গ্রহণ করা হয়। ১৯৪৬ সালে এ ইরান নামে এই সঙ্গীতটি রচনা করেন হোসেন গোল-এ-গোলাব এবং সুর দেন অধ্যাপক রুহোল্লা খালেঘি। এই সঙ্গীতটি ১৯৮০ সালে পায়ান্দেহ বাদা ইরান নামের চতুর্থ জাতীয় সঙ্গীত দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। এই সঙ্গীতটির সুর দেন আবলোঘাসেম হালাত। সর্বশেষ ১৯৯০ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনি সময়কালের পরে সোরোউদ এ মেল্লি এ জোমহোউরি ইসলামী এ ইরান-গানটি ইরানের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এই গানের কথা একাধিক লেখকের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে এবং সুর দিয়েছেন হাসান রিয়াহি।
দিগন্তের ওপর জাগে পূর্বের সূর্য
বিচারে বিশ্বাসীদের চোখে আলোর ঝিলিক
বাহমান আমাদের বিশ্বাসের শীর্ষ
তোমার বার্তা, হে ইমাম, স্বাধীনতা, মুক্তি, আমাদের জীবনের উদ্দেশ্য
আমাদের আত্মায় আছে ছাপা
হে শহীদেরা, তোমাদের কান্না আমাদের কানে প্রতিধ্বনিত হয়
হও সর্বংসহ, অব্যাহত ও শাশ্বত।
ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্র।