ব্যবসাতে নেমে অল্পদিনেই বড়লোক হয়ে গেছেন বাদামতলীর লিটন হাজী। অভিযোগ আছে, বৈধ পথে নয় তার নেপথ্যে রয়েছে মাদকের কারবার। এভাবেই অল্পদিনেই সে হয়ে ওঠে অনেক টাকার মালিক।
নির্বাচন করার খায়েশে যোগ দেয় হিজলা থানা যুবলীগে। অল্পদিনেই হয়ে ওঠে এমপি পঙ্কজের আস্থাভাজন।
এলাকাবাসী ও বাদামতলীর অনেক লোকজন জানায়, কয়েক বছরে শতকোটি টাকার বেশি মালিক হয়ে লিটু সবাইকে অবাক করে দেন। ভাইদের হাত ধরে ব্যবসায় এলেও সবাইকে ছাড়িয়ে যায় অল্পদিনেই।
এলাকায় থাকতে ছাত্রজীবনে জাল টাকার ব্যবসায় জড়ায় সে। তখন থেকেই উত্থান। এরপর ফল ব্যবসার আড়ালে চলে তার নানা অপকর্ম।
কয়েকবছরে বেশ কয়েকটি বাড়ি গাড়ি সম্পত্তির মালিক হয় সে। ভাইদের টাকা আত্মসাৎ করে নিজেই ধনী হয়নি; পুনর্বাসন করে শ্বশুর বাড়ির লোকদের। শ্বশুরের জন্য উপজেলা নির্বাচনে ব্যয় করে কোটি টাকা। নিজে চড়ে ৪৮ লাখ টাকার গাড়িতে।
এমপির ঘনিষ্ঠ, যুবলীগ নেতা হওয়ায় ফ্যাসিবাদী আওয়ামী সরকার পতনের পর মামলা হলে গ্রেপ্তার হয় একবার। প্রশাসনকে ম্যানেজ করে বর্তমানে সে চলছে।
দুদকে দেয়া হয়েছে একটি অভিযোগ।
এ বিষয়ে জানতে কয়েকবার ফোন করা হলেও কল রিসিভ করেননি লিটন।