1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
রাজশাহীর আম পাড়া শুরু হচ্ছে ১৫ মে | ঢাকা আওয়ার
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন

রাজশাহীর আম পাড়া শুরু হচ্ছে ১৫ মে

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

অসময়ে আম সংগ্রহ রোধে এ বছরও আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে রাজশাহী জেলা প্রশাসন। ভোক্তা পর্যায়ে মানসম্মত ও পরিপক্ব আম নিশ্চিত করতে প্রতিবারই এ সময় বেঁধে দেয় প্রশাসন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১৫ মে শুক্রবার থেকেই গাছ থেকে আম নামাতে পারবেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা।

আজ রোববার (১০ মে) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কৃষিবিদ, ফল গবেষক, আম চাষি ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আম পরিবহণ, বাজারজাতকরণ ও সংগ্রহবিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে এ সময় নির্ধারণ করা হয়।

জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে একটি ম্যাঙ্গো ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হয়। অপরিপক্ব আম বাজারজাত ঠেকাতে প্রশাসন এ উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানানো হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ মে গুটি আম সংগ্রহের মধ্য দিয়ে শুরু হবে এবারের আম সংগ্রহ কার্যক্রম। গোপালভোগ আম সংগ্রহ করা হবে ২২ মে থেকে। লকনা বা লক্ষণভোগ ও রানিপছন্দ আম পাড়া যাবে ২৫ মে থেকে। এছাড়া হিমসাগর ও খিরসাপাত ৩০ মে, ল্যাংড়া আম বা বানানা ম্যাংগো ১০ জুন, আম্রপালি ও ফজলি আম ১৫ জুন নামানোর সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আর বারি-৪ আম ৫ জুলাই, আশ্বিনা আম ১০ জুলাই ও গৌড়মতি ১৫ জুলাই থেকে নামাতে পারবেন বাগান মালিকরা। এ ছাড়া কাটিমন ও বারি আম-১১ জাত সারা বছর পাড়া যাবে।

এই সময়ের আগে যদি কোনো কৃষক বা ব্যবসায়ী অপরিপক্ব আম নামায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয় সভায়। তবে আবহাওয়াগত কারণে কোথাও আগেই আম পেকে গেলে স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে তারপর গাছ থেকে আম নামিয়ে বাজারজাত করা যাবে।

সভায় জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীর ঐতিহ্য হচ্ছে আম। বাজারে পরিপক্ব ও নিরাপদ আম নিশ্চিত করতেই প্রতি বছরই তারিখ নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। এবারও কৃষক, কৃষি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতেই ‘ম্যাংগো ক্যালেন্ডার’ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সময়ের আগে যদি কোনো কৃষক বা ব্যবসায়ী অপরিপক্ব আম নামায় তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হাটগুলোতে সার্বক্ষণিক প্রশাসনিক নজরদারি থাকবে।

এদিকে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ বছর জেলায় আম চাষ হয়েছে ১৯ হাজার ৬২ হেক্টর জমিতে। আর আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে দুই লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ