মঙ্গলবার আমেরিকাজুড়ে শেষ সময়ের ভোট গ্রহণ হলো। যুক্তরাষ্ট্রের এ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকানদের প্রতিনিধি ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ডেমোক্রেটদের প্রতিনিধি জো বাইডেনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।
করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে যে পরিমাণ মানুষ ভোট দিতে এসেছিল তা নির্বাচনকে আরও বেশি উৎসবমূখর করে তুলেছে। এছাড়া, এটা ছিল আশার চেয়ে বেশি।

করোনা ভাইরাসের সতর্কতার জন্য ভোটারদেরকে দূরর্ত রেখে লাইনে দাঁড়াতে দেখা যায়।

ভোটকেন্দ্রের ভেতরে বুথগুলোও প্রত্যেকটা অন্যটার থেকে বেশ দূরর্ত রক্ষা করা হয়। যে কারণে ভোট কেন্দ্রের ভেতরে ভোটারদের একে অপরের সংস্পশের্ আসতে হয়নি।

অনেককেই দেখা যায় বিভিন্ন ধরণের মাস্ক ব্যবহার করতে। করোনাকালিন সময়ে নির্বাচন হওয়ায় অনেকে নাক-মুখ সম্পূর্ণ ঢেকে ভোট দিতে দেখা যায়।

ভোটকে উৎসবমুখর করার জন্য ভোটকেন্দ্রগুলো পরিপাটি করা হয়েছিল। বুথগুলোতে তেমন মানুষের চাপ রাখা হয়নি।

করোনাকালিন সময় হলেও কোথাও কোথাও যে মানুষের চাপ একেবারেই ছিল না, তা নয়। কোথাও কোথাও অসতর্কতাও দেখা গেছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্প খুবই আত্মবিশ্বসী। তিনি গণসংযোগ করেছেন এবং জানিয়েছেন তিনিই আবার দেশের দায়িত্ব নিচ্ছেন।

পিছিয়ে নেই জো বাইডেনও। তিনি বিভিন্ন জরিপে এগিয়ে আছেন। গণসংযোগও করেছেন শেষ দিন পর্যন্ত।

৫০ রাজ্যের ২৭০ ইলেক্টোরাল ভোটের দৌড়ে এগিয়ে আছেন জো বাইডেন। এদিকে ভোটারদের উপস্থিতি করোনাকালিন সময়ে লক্ষ্য করার মতো।

ভোট দিতে এসেছেন নারী পুরুষ সবাই। এর মধ্যেই আগাম ভোট দিয়ে দিয়েছে প্রায় ১০ কোটি ভোটার। যা গত ১০০ বছরের মধ্যে আগাম ভোট দেওয়ার একটা রেকর্ড।

আমেরিকার ৬৪ তম এ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অন্যান্য বারের তুলনায় মানুষের উৎসাহর কমতি ছিল না।

নির্বাচনকে ঘিরে ছিল মিউজিক। যদিও উৎসব কিন্তু ছিল বাতির্ সতর্কতা।

ভোটের বুথগুলো আমেরিকার পতাকা ও নিদের্শনামূলক বার্তা দেওয়া ছিল।

অনেকেই তার শিশুবাচ্চাদের নিয়েও ভোট দিতে এসেছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা থাকায় শিশুবাচ্চাদের নিয়ে ভোট দিতে আশা অস্বাভাবিক কিছু নয়।