1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
চাল-তেল ছাড়া রোজায় নিম্নমুখী বেশিরভাগ পণ্যের দাম, খুশি ক্রেতারা | ঢাকা আওয়ার
শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন

চাল-তেল ছাড়া রোজায় নিম্নমুখী বেশিরভাগ পণ্যের দাম, খুশি ক্রেতারা

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শনিবার, ৮ মার্চ, ২০২৫

এবার রোজায় অন্যান্য বছরের তুলনায় অনেক পণ্যের দাম স্থিতিশীল ছিল শুরু থেকেই। সব মিলিয়ে বাজারে তেমন বড় কোনো অসঙ্গতি নেই। রোজার শুরুতে সয়াবিন তেলের যে সরবরাহ সংকট ছিল তা-ও এখন অনেকটা কমেছে। খোলা সয়াবিনের সরবরাহ থাকলেও বোতলজাত তেলের সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। তবে চালের দাম বাড়তি রয়ে গেছে।

শনিবার (৮ মার্চ) রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, করলা ৬০-৮০ টাকা, ঢেঁঢ়স ৬০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া বেশিরভাগ সবজির দাম কম। যা কেনা যাচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। কাঁচা মরিচের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে। টমেটোর কেজি ২০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি বছর রমজানে লেবু-শসা, বেগুনের বাজারে চাহিদা বেশি থাকে। তবে এবার দামও কম। বেগুন ৬০-৮০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে যা আগে ৮০-১০০ টাকা বিক্রি হতো। এ ছাড়া লেবুর হালি ৪০ টাকা ও শসা ৪০-৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এবার পেঁয়াজেও দরপতন দেখা গেছে। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৬ থেকে ৪৫ টাকায়। গত বছর বাজারে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ১১০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বাজারে আলুর দামও অর্ধেক কমে এখন ২০-২৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।

বাজার করতে এসে স্বস্তির কথা বলছেন আবুল হাসান নামে একজন ক্রেতা। তিনি বলেন, আগের বছর রমজানে যেভাবে দাম ছিল, এবার সেটা নেই। সবকিছু নাগালের মধ্যে।

কারওয়ান বাজারের মুরগি ব্যবসায়ী ফাহিম বলেন, গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল। এখন আবার কমে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে ডিমের বাজারও নিম্নমুখী। প্রথম রোজায় ডিম বিক্রি হয়েছে ১৩০ টাকা দরে। এখন ডজনে ১০ টাকা কমে বিক্রি হয়েছে ১১৯ টাকা দরে। তবে কেউ কেউ ৩-৪ টাকা বেশি রাখছেন।

এদিকে এ বছর এখন পর্যন্ত চিনি, খেজুর, ডালের দাম কম রয়েছে। তবে বাজারে খোলা সয়াবিনের সরবরাহ থাকলেও বোতলজাত তেলের সরবরাহে ঘাটতি রয়েছে। দোকানিরা বোতলজাত তেলের মূল্য দেওয়া থাকলেও বিভিন্ন দামে বিক্রি করছে। কেউ বিক্রি করছেন ১৮৫ টাকা লিটার, আবার কেউ ১৯০ টাকা লিটার বিক্রি করছেন।

চালের বাজারে অস্বস্তি কমেনি। আমদানি শুল্ক কমালেও ভোক্তা সেই সুফল পাচ্ছেন না। খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি মোটা চাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা দরে। এক মাস ধরে এ দরেই রয়েছে মোটা চাল। গত এক মাসে মাঝারি ও সরু চাল কেজিতে দুই টাকা বেড়েছে। বর্তমানে মাঝারি চাল ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা ও সরু চাল ৭২ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ