1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
ছবিতে বিজয় দিবস-২০১৯ | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন

ছবিতে বিজয় দিবস-২০১৯

প্রতিবেদকের নাম
  • সোমবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৯

১৯৭১

১৯৭১ সাল, বাংলাদেশের এক গৌরবময় ইতিহাসের বছর। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি নিধনে ঝাঁপিয়ে পড়লে একটি জনযুদ্ধের আদলে গেরিলাযুদ্ধ তথা স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা ঘটে। ২৫ মার্চের কালো রাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ঢাকায় অজস্র সাধারণ নাগরিক, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, পুলিশ ও ই.পি.আর. -কে হত্যা করে। এমন প্রেক্ষাপটে তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তান শসস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে। এ অঞ্চলের বীর সন্তানদের এ সংগ্রামের মাধ্যমেই বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে পৃথিবীর মানচিত্রে আত্মপ্রকাশ করে।

বিজয় দিবস

৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণ করে। ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। ১৬ ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তন এলাকায় দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। এ সময় চারিদিকে ছিল উৎসবের পরিবেশ। ছেলে-মেয়ে, শিশু-বৃদ্ধ, নানা বয়সের মানুষের ঘুরতে আসতে দেখা যায়।

রাজধানীর শাহাবাগ এলাকায় হকারদের সারি। বিভিন্ন বয়সের মানুষের আনাগোনায় বিজয় দিবসের সকাল থেকেই এ এলাকায় এক ভিন্ন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হরেক ধরনের পণ্য নিয়ে পসরা সাজাতে দেখা যায় হকারদের।

১৬ ডিসেম্বর সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আসা দর্শনার্থীদের কাছে হাত পেতে সাহায্য চাইছিল দুই পথশিশু। এমন সময় ছেলেটার পেন্ট ঢিলা মনে হওয়ায় আরেকজন তার প্যান্ট শক্ত করে বেঁধে দিচ্ছে।

আআআ.. রে, কী চমৎকার দেখা গেল/ নজর করে দেখা গেল/ গাঁয়ের বধূ নাইওর এল/ তার পরেতে দেখা গেল …..। এক সময় গ্রাম বাংলায় সিনেমা হলের কাজ করেছে বায়োস্কোপ। বিজয় দিবসের সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দেখা মিলল এ যুগের এক শিশু বায়োস্কোপ দেখছে।

হাওয়াই মিঠাই নেবে… হাওয়াই মিঠাই…. মিষ্টি নরম হাওয়াই মিঠাই…। এ যেন চির চেনা হাঁক। এ হাঁক শুনলেই শৈশবে দৌড়ে ঘর থেকে বের হয়ে আসতাম। এমনও তো কত হয়েছে, কান পেতে থেকেছি কখন আসবে চেনা এই ডাক। কাচঘেরা বাক্সে ছোট ছোট গোল গোল হাওয়াই মিঠাই। ২৫ পয়সা থেকে ১ টাকায় মিলত কয়েকটি হাওয়াই মিঠাই। মুখে দিলেই হাওয়ার মতো মিলিয়ে যেতো, তবু মুখে মিষ্টি মিষ্টি যে স্বাদ লেগে থাকতো তার স্বাদ ছিল চমৎকার। বিজয় দিবসের সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে একজন হকার হাওয়াই মিঠাই ফেরি করে বেড়াচ্ছেন।

বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গনে এমনি এক ভাস্কর্য স্থাপন করা হয়। সংসদ ভবনের এমন আলোকসজ্জা দেখতে ভিড় করে নগরবাসী।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় সংসদে বর্ণিল আলোকসজ্জা করা হয়। জতীয় পতাকার আদলে সাজানো হয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা। গণপূর্ত অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রতিবছরের মতো এবারও আলোকসজ্জার উদ্যোগ নেয়া হয়।

বিজয় দিবস রাতে ধানমন্ডি লেকের রবীন্দ্র সরবরে এক পথশিশুর উড়ন্ত বাবলের মাঝে এমন আনন্দ করতে দেখা যায়। এ সময় ঘুরতে আসা আরও দুটি শিশু অবাক হয়ে তার দিকে চেয়ে থাকতে দেখা যায়।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ