1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে জানুয়ারিতে | ঢাকা আওয়ার
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:

তিস্তা মহাপরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে জানুয়ারিতে

প্রতিবেদকের নাম
  • রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫

আগামী বছরের জানুয়ারিতে শুরু হতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ। বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ইতোমধ্যে চীনা দূতাবাসের একটি প্রতিনিধি দল তিস্তা নদী এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেছে।

প্রকল্পটি ১০ বছর মেয়াদে বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে, যার মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। প্রথম পাঁচ বছরে অগ্রাধিকার পাবে সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, নদীভাঙন প্রতিরোধ এবং স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) থেকে প্রকল্পের খসড়া চীন সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে, এবং সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকেই কাজ শুরু হবে।

তিস্তা নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছে উত্তরাঞ্চলের লাখো মানুষের জীবন ও জীবিকা। কিন্তু বছরের পর বছর নদীভাঙনের ফলে হাজারো মানুষ বসতভিটা হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ‘রিভারাইন পিপল’-এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি বছর তিস্তার ভাঙন ও প্লাবনে উত্তরাঞ্চলের পাঁচটি জেলার মানুষের ক্ষতির পরিমাণ ছাড়িয়ে যায় এক লাখ কোটি টাকা। বাস্তুভিটা ও আবাদি জমি হারিয়ে গৃহহীন মানুষের সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে।

সম্প্রতি চীনের রাজনৈতিক শাখার পরিচালক জং জিং জানিয়েছেন, সবকিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী চললে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, চীনের একটি প্রতিনিধি দল ইতোমধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নদীপারের মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে, যার মধ্যে ছিল বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদ ও তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন।

সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০১৪ সাল থেকে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার উজানে ভারত একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার করে নিচ্ছে, যার ফলে এই অঞ্চলের কৃষি ও পানিসম্পদে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। আবার বর্ষায় হঠাৎ করে কয়েক লাখ ঘনফুট পানি ছেড়ে দেওয়ায় নীলফামারী, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়, দেখা দেয় নদীভাঙন ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি।

তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হক্কানি বলেন, “দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনার দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। আগের সরকার বারবার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি। তবে বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগ তিস্তাপাড়ের মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন।”

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ