1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে: প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও দেশীয় ভেড়া সম্প্রসারণ প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এ লক্ষ্যে বর্তমানে পাইলট ভিত্তিতে বাস্তবায়িত প্রকল্পটি পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলায় সম্প্রসারণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘বিশুদ্ধ জাতের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও দেশীয় ভেড়া সম্প্রসারণে পাইলট প্রকল্প’-এর অবহিতকরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের কৃষি ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে বিএনপি সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার ভিত্তি রচনা করেছে। সরকার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, অতীতে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ব্যাহত হওয়ায় দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল বাংলাদেশের একটি মূল্যবান দেশীয় জাত, যা দ্রুত বংশবিস্তার, উন্নত মাংসের গুণগত মান এবং ব্যাপক বাজার চাহিদার কারণে গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য একটি লাভজনক জীবিকার উৎস হতে পারে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে এ খাতে সম্পৃক্ত ও দক্ষ করে তুলতে পারলে জাতীয় অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হবে।

প্রতিমন্ত্রী মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধু অফিসে বসে নয়, খামারিদের কাছে গিয়ে তাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও উদ্বুদ্ধ করার মাধ্যমে আধুনিক প্রাণিপালন ব্যবস্থার প্রসার ঘটাতে হবে। বিশেষ করে প্রান্তিক খামারিদের সঠিক পরিচর্যা, রোগব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন কৌশল সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

তিনি খামারিদের প্রাণিসম্পদ উৎপাদনে অপ্রয়োজনীয় ও অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, নিরাপদ প্রাণিজ খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে অ্যান্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহার এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যা কোনো বোঝা নয়, বরং দক্ষ ও কর্মক্ষম মানবসম্পদে পরিণত করতে পারলে এ জনশক্তিই দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ। যুবসমাজকে উৎপাদনমুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন জোরদার করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনিছুর রহমান সহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গবেষক, খামারিরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ