1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে হ্যানিট্র্যাপ ব্যবহার করা হয়েছে: জিএমপি কমিশনার | ঢাকা আওয়ার
মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:

সাংবাদিক তুহিন হত্যাকাণ্ডে হ্যানিট্র্যাপ ব্যবহার করা হয়েছে: জিএমপি কমিশনার

প্রতিবেদকের নাম
  • শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫

সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন হত্যাকাণ্ডের কিছু আগে পারুল আক্তার ওরফে গোলাপী নামে একজন নারী দিয়ে হ্যানিট্র্যাপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ড. নাজমুল করিম খান বলেছেন।

শনিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

পুলিশ কমিশনার জানান, বাদশা নামে এক ব্যক্তি একটি ব্যাংকের এটিএম বুথ থেকে ২৫ হাজার টাকা তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় পারুল আক্তার ওরফে গোলাপীকে দিয়ে হ্যানিট্র্যাপ করা হয়। ওই নারী বাদশাকে বিরক্ত করতে থাকে, এক পর্যায়ে বাদশা নারীকে ঘুসি মারেন। এসময় গোলাপীর সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাদশাকে কোপ দেয়। বাদশা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ধাওয়া দেয় একদল সন্ত্রাসী। আর বাদশাকে কোপানো এবং ধাওয়া দেওয়ার ভিডিও ধারণ করছিলেন সাংবাদিক আসাদুজ্জামান তুহিন।

ভিডিও ধারণের ঘটনা সন্ত্রাসীরা দেখা ফেলায় ধারণকৃত ভিডিও কেটে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে। তুহিন ভিডিও ডিলিট না করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তুহিনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। তুহিন দৌড়ে একটি মুদি দোকানে গিয়ে আশ্রয় নেন। সেখানে সন্ত্রাসীরা তুহিনকে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।

এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ, একজনকে গ্রেফতার করে র্যাব-১। এ ঘটনায় পুলিশের কিছুটা হলেও ব্যর্থতা অবশ্যই আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, ভিডিও ক্লিপ দেখে ৮ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। এরমধ্যে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর আসামিকে গ্রেফতার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ কমিশনার বলেন, গ্রেফতার সবার বিরুদ্ধেই বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। গ্রেফতার সন্ত্রাসী কেটু মিজানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গাজীপুর মহানগরীতে প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম জনবল রয়েছে। তা দিয়ে এ বিশাল আয়তনের সিটি করপোরেশনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে হচ্ছে। তিনি পুলিশকে সহযোগিতা করার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানান।

প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদ হোসেন ভূইয়া, মো. রবিউল হাসান, এস এম আশরাফুল আলম, এস এম শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ