1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ আবারও চালু করলেন আজারবাইজান প্রেসিডেন্ট | ঢাকা আওয়ার
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
রাজবাড়ীতে পাওনা টাকা আদায়ে তরুণকে মারধর, হত্যার পর পেট্রল ঢেলে লাশে আগুন মাদকমুক্ত যুব সমাজে খেলাধুলায় জোর প্রধানমন্ত্রীর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে স্থানীয় নির্বাচন শুরু হতে পারে: এলজিআরডি মন্ত্রী মূলধারার বাইরে এখন সিটিজেন জার্নালিজম তৈরি হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী তাজিয়া মিছিলে দা-ছুরি-কাস্তে-বর্শা-তরবারি-লাঠি নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার জুলাই হামলায় জাবিতে শাস্তি ১৩ শিক্ষক-কর্মকর্তার, অব্যাহতি ৮ জনের ইন্টারপোলের ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় ৫৯ বাংলাদেশি আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ভুল নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা : স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

১৫০ বছরের পুরোনো মসজিদ আবারও চালু করলেন আজারবাইজান প্রেসিডেন্ট

প্রতিবেদকের নাম
  • রবিবার, ২০ জুলাই, ২০২৫

আজারবাইজানের আগদামে পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে দেড়শ বছরের পুরোনো এক মসজিদ। গত শুক্রবার (১৮ জুলাই) ঐতিহাসিক জিয়াসলি মসজিদটির পুনর্নির্মিত সংস্করণের উদ্বোধন করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ। দীর্ঘদিন পর ঐতিহাসিক এই মসজিদটি আবারও উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে নামাজি ও দর্শনার্থীদের জন্য।

প্রেসিডেন্টের সামনে মসজিদের সংস্কার প্রকল্পের বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেন তার সহকারী আনার আলি আকবরভ। তিনি বলেন, মসজিদটির মূল স্থাপত্যশৈলীর প্রতি সম্মান রেখেই ব্যাপক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে।

এই পূর্ণাঙ্গ সংস্কারকাজ শুরু হয় ২০২২ সালে, হেইদার আলিয়েভ ফাউন্ডেশনের তত্ত্বাবধানে। কাজের সময় আর্কাইভচিত্র, ভিডিও এবং পুরাতন নথিপত্র ব্যবহার করে যথাসম্ভব নির্ভুলভাবে ঐতিহাসিক নিদর্শন পুনঃস্থাপন নিশ্চিত করা হয়। মসজিদের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত দুইটি মিনার পুনর্নির্মাণ করা হয় ভিতরে সংরক্ষিত সর্পিল সিঁড়ির অবকাঠামো ঠিক রাখার ভিত্তিতে। পাশাপাশি ঢালু পাথরের স্তম্ভগুলোও বিশেষ যন্ত্রপাতির সাহায্যে মেরামত করা হয়। ক্ষতিগ্রস্ত গম্বুজ ও মিহরাবও পুনরায় ঠিক করা হয়েছে।

মসজিদের বাইরের প্রাচীর পরিষ্কারে ব্যবহার করা হয়েছে বিশেষ রাসায়নিক উপাদান। সেইসঙ্গে পুরনো পাথরগুলো পুনরায় স্থাপন করা হয় আগের নকশা অনুযায়ী। এতে মসজিদের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য এবং স্থাপত্যরীতি আবারও ফুটে ওঠে।

ভবিষ্যতে মসজিদটিকে একটি কার্যকর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এর চারপাশে কিছু সহায়ক ভবনও নির্মাণ করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২০০১ সাল থেকেই জিয়াসলি মসজিদকে একটি স্থানীয় গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্মারক হিসেবে ঘোষণা করে আজারবাইজানের মন্ত্রিসভা। বর্তমান সময়ে এটি আগদাম অঞ্চলে ইসলামী পরিচয়ের একটি শক্তিশালী প্রতীক হয়ে উঠেছে।

আগতাম শহরের এই মসজিদটি নির্মিত হয় ১৯ শতকে। আজারবাইজানের প্রখ্যাত স্থপতি কারবালাই সাফিখান কারাবাগির ডিজাইন অনুসারে ১৮৬৮-৭০ সালের মধ্যে নির্মিত হয় এটি। ১৯৯৩ সালে আর্মেনীয় বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায় আগদাম শহরটি এবং তখন থেকেই শহরটি সম্পূর্ণরূপে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে।

আগদাম মসজিদ ছিল কারাবাখ অঞ্চলের একমাত্র মসজিদ, যা পুরোপুরি ধ্বংস না হয়ে টিকে ছিল, যদিও এটি ভয়াবহ অবমাননার শিকার হয়। কিছু সূত্রে বলা হয়, সেখানে পশুপালনের মতো কার্যক্রমও পরিচালনা করেছে আর্মেনীয় কর্তৃপক্ষ।

২০২০ সালের দ্বিতীয় নাগোর্নো-কারাবাখ যুদ্ধের পরে আজারবাইজান যখন আগদাম পুনরুদ্ধার করে, তখন থেকেই মসজিদটির পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। পুনর্নির্মাণ কাজ ২০২২ সালে শুরু হয় এবং এটি সম্পূর্ণ হয় ২০২৪ সালের মাঝামাঝি। মসজিদটির সংস্কার কাজের সময় মূল স্থাপত্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের ওপর জোর দেয় আজারবাইজান সরকার।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ