1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী | ঢাকা আওয়ার
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ১১:২৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
পুলিশের ইউনিফর্মে পরিবর্তন : শার্ট হবে গাঢ় নীল, প্যান্ট খাকি ১৪০ কোটি টাকা পাচ্ছে বেসরকারি এতিমখানা ডিজিটাল নকলের সাজার বিধান রেখে পাবলিক পরীক্ষা আইন পাস হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সংঘাতের শঙ্কা, সারাদেশে সতর্ক পুলিশ আধা ঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতেই ডুবল চট্টগ্রাম, ভোগান্তিতে নগরবাসী ভারত ও মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া কীভাবে দেওয়া হবে? স্বর্ণের দামে বড় পতন নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে গোলাগুলি, আতঙ্কে দিগ্বিদিক ছুটলেন পথচারীরা আটকে পড়া প্রবাসীদের জন্য সুখবর দিলো সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান যুদ্ধের খরচ মেটাতে ৮০ বিলিয়ন ডলার চাইল পেন্টাগন

২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য : অর্থমন্ত্রী

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৯ মার্কিন ডলার। একইসঙ্গে আগামী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে এক ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার মেগা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার (৬ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের নবম দিনে ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস. এম. জাহাঙ্গীর হোসেনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্যমতে মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৭৬৯ ডলার। তবে সরকারের লক্ষ্য আরও সুদূরপ্রসারী। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির মাইলফলক স্পর্শ করা। এই লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক গণতন্ত্রায়ন, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি এবং স্পোর্টস ইকোনমিকে গুরুত্ব দিয়ে বিশেষ কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে।

মাথাপিছু আয় বৃদ্ধির জন্য সরকার কেবল নির্দিষ্ট কোনো খাতের ওপর নির্ভর করছে না। অর্থমন্ত্রী সংসদে জানান, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা বাড়ানো, রপ্তানি ও প্রবাস আয় বৃদ্ধি এবং সামাজিক সুরক্ষার মতো সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

সংসদে উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী সরকারের প্রধান পদক্ষেপগুলো হলো- বেকারত্ব নিরসন ও কর্মসংস্থানের মাধ্যমে উৎপাদন, আইটি, কৃষি-প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হচ্ছে। শিল্পায়ন ও বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে ব্যবসা সহজ করা এবং শিল্প স্থাপনে উৎসাহ দেওয়ার মাধ্যমে উৎপাদনমুখী খাতে অর্থপ্রবাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে।

এছাড়া এসএমই খাতে বিশেষ নজর আছে সরকারের। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা, বিশেষ করে নারী ও যুব উদ্যোক্তাদের জন্য অর্থায়ন সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি দেশি ও বিদেশি শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কারিগরি প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হচ্ছে, যাতে তাদের আয় করার ক্ষমতা বাড়ে। বৈধ পথে রেমিট্যান্স পাঠানো সহজ করা এবং রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার চেষ্টা চলছে।

গৃহীত এসব পদক্ষেপের বাস্তবায়ন সম্পর্কে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, বেশ কিছু পদক্ষেপ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরেই বাস্তবায়নাধীন আছে। বাকিগুলো স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদে পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে।

তিনি বলেন, সরকারের এই সমন্বিত উদ্যোগগুলো একদিকে যেমন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা সুরক্ষিত রাখবে, অন্যদিকে ২০৩৪ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মজবুত ভিত্তি তৈরি করবে।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ