1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
চট্টগ্রামে ৩৫ দিনে ২৪৫ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন

চট্টগ্রামে ৩৫ দিনে ২৪৫ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রাজনৈতিক ও সামরিক সংকট তীব্রতর হওয়ায় আন্তর্জাতিক আকাশপথে এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর সরাসরি ও মারাত্মক প্রভাব এসে পড়েছে দেশের প্রধান বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামের আকাশপথেও।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত— মাত্র ৩৫ দিনের ব্যবধানে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় তৈরি হওয়া চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণেই এই নজিরবিহীন বিপর্যয় নেমে এসেছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানিয়েছে, শুক্রবারও (৩ এপ্রিল) নতুন করে মধ্যপ্রাচ্য রুটের আরও ৬টি ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে। এর ফলে ৩৫ দিন ধরে প্রবাসীদের এই চিরচেনা ট্রানজিট পয়েন্টটিতে নেমে এসেছে সুনসান নীরবতা।

শাহ আমানত বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের অবাধ বিচরণ চলায় বেসামরিক বিমান চলাচলের রুটগুলো চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটের ওপর।

শুক্রবার বাতিল হওয়া ৬টি ফ্লাইটের তালিকায় ছিল— ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি, এয়ার আরাবিয়ার ২টি এবং সালাম এয়ারের ২টি ফ্লাইট। এই বিমান সংস্থাগুলোর সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানগামী শিডিউলগুলোই এখন সবথেকে বেশি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখা হাজার হাজার প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা। অনেকেই জরুরি ছুটিতে দেশে এসে আটকা পড়েছেন, আবার অনেকেরই নতুন ভিসায় কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার শেষ সময় ঘনিয়ে আসছে। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া কিংবা নতুন শিডিউল পাওয়া নিয়ে এক অনিশ্চিত গোলকধাঁধায় পড়েছেন তারা।

চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, যুদ্ধের উত্তাপ সরাসরি যাত্রী পরিষেবায় এসে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক হাজার প্রবাসী ও পর্যটক। যুদ্ধাবস্থার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত শাহ আমানত বিমানবন্দরে মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির কবে উন্নতি হবে এবং আকাশপথ কবে নিরাপদ হবে— সে দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও ভুক্তভোগী সাধারণ যাত্রীরা।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ