1. mistake.rocky@gmail.com : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. dhakahour@gmail.com : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. sarowar.rocky@gmail.com : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. sadakmostafa5@gmail.com : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. info@dhakahour.com : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. yfmahmud82@gmail.com : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
বৃষ্টি-ভাড়া অজুহাতে বাজারে আগুন, চাপে ক্রেতারা | ঢাকা আওয়ার
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন

বৃষ্টি-ভাড়া অজুহাতে বাজারে আগুন, চাপে ক্রেতারা

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬

বৃষ্টি আর পরিবহনের ভাড়া বৃদ্ধির অজুহাতে রাজধানীর বাজারগুলোতে মাংস, মাছ ও সবজি বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে। গরিবের প্রোটিন খ্যাত ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরিবের মাছ পাঙাশের কেজি ২২০ এবং গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া, ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি কিনতে পারছেন না ক্রেতারা।

আজ (শুক্রবার) দক্ষিণ মুগদা এলাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৮০-৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে বেশিরভাগ বিক্রেতা ৮০০ টাকার নিচে বিক্রি করছেন না। অন্যদিকে, বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি কেজিতে ৩৮০ টাকা রাখা হচ্ছে।

মুগদা ছোট বাজারের মাংস বিতানের মোহাম্মদ হানিফ জানান, তেলের দাম বাড়ছে। ভাড়া আগের চেয়ে বেশি দিতে হচ্ছে। গরুর মাংসের দাম আর কমবে না। সামনে কোরবানির ঈদ। এখন থেকে ব্যাপারীরা কোরবানি ধরেই গরুর দাম ঠিক করছে।

মুরগির দোকানে ব্রয়লারের দাম শুনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন খাদিজা নামের এক ক্রেতা। তিনি বলেন, “কয়দিন আগে ১৮০ টাকা করে কিনছি। এখন কয় ২০০ টাকা। সবকিছুর দাম বাড়লে গরিব বাঁচবে কেমনে? শোনেন না, মাইকে শ্রমিকদের কথা কয়। কিন্তু শ্রমিকরা যে কেমনে চলে কেউ কইতে পারবে না।”

মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। সব ধরনের মাছ সপ্তাহ ব্যবধানে ১০-২০ টাকা বেড়ে গেছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গরিবের মাছ খ্যাত পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকায়। হাফ কেজি ওজনের ইলিশের কেজি ১ হাজার ৫০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা, তেলাপিয়া ২৩০, পাবদা ৩৮০, রুই ৩২০ থেকে ৩৬০, কাতল ৪০০, টেংরা ৮৫০, গলদা চিংড়ি ছোট ও বড় যথাক্রমে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

জ্বালানি তেলের দাম ও বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে সবজির বাজারে। বাজারে ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। বরং কোনো কোনো সবজিতে সপ্তাহ ব্যবধানে কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১৫ টাকা।

বাজারে প্রতি কেজি আলু ২০ থেকে ২৫ টাকা, টমেটো ৬০, করলা ৬০ থেকে ৬৫, পটল ৬০, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৭০, গাজর ৮০, ঢেঁড়স ৬০, চিচিঙ্গা ও ঝিঙা ৭০, শসা ১০০-১১০, বরবটি ৮০, কাঁকরোল ১২০, বেগুন প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও ধুন্দুল ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েক দিন টানা বৃষ্টির কারণে সবজির স্বাভাবিক সরবরাহ সম্ভব হয়নি। পাশাপাশি জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে।

সবজি বিক্রেতা হামিদ বলেন, “গত কয়দিন ধরে দেশের সব জায়গায় বৃষ্টি। অনেক জায়গায় বৃষ্টির কারণে সবজি খেত পানিতে তলিয়ে গেছে। যার জন্য আগে যে পরিমাণ সবজি ঢাকায় আসত তার তুলনায় কম আসছে। আর তেলের দাম বাড়ছে। ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে।”

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ