1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
আজ বিশ্ব মা দিবস : মমতাময়ী মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা | ঢাকা আওয়ার
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন

আজ বিশ্ব মা দিবস : মমতাময়ী মায়ের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • রবিবার, ১০ মে, ২০২৬

প্রতি বছর মে মাসের দ্বিতীয় রোববার বিশ্বজুড়ে পালিত হয় মা দিবস। মাকে নিয়ে লিখা শুরু করলে আসলে তা শেষ করা যাবে না। পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর এবং সহজ ডাক হলো ‘মা’। এই একটি শব্দের সঙ্গে মিশে আছে অকৃত্রিম ভালোবাসা, মমতা আর নিরাপত্তা। আমরা সামান্য ব্যথা পেলেও মনের অজান্তেই ডেকে উঠি ‘মা’। মা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে নির্ভরতার মানুষ।

আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ আমাদের মা। তার জন্য আলাদা কোনো দিবসের দরকার নেই, এমনটাই মত অনেকের। তবে মাকে ভালোবেসে একটি দিন উৎসর্গ করার মধ্যে নেতিবাচক কিছু নেই। তাকে একটি দিন আপনি বিশেষ অনুভব করাতেই পারেন।

সকাল থেকেই যার যার মাকে ভালোবাসা জানাচ্ছেন অনেক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী। মায়ের সঙ্গে ছবি আপলোড করে নিজের ভালোবাসা ও অভিব্যক্তি প্রকাশ করছেন অনেকে।

মাকে নিয়ে কবি কাদের নেওয়াজ লিখেছিলেন- “মা কথাটি ছোট্ট অতি কিন্তু জেনো ভাই,/ ইহার চেয়ে নাম যে মধুর ত্রিভুবনে নাই/ সত্য ন্যায়ের ধর্ম থাকুক মাথার’ পরে আজি/ অন্তরে মা থাকুক মম, ঝরুক স্নেহরাজি।”

মাকে নিয়ে হাজারও কবি, সাহিত্যেক যুগে-যুগে লিখে গেছেন নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে। জন্মের পর থেকে শুরু করে শৈশব-কৈশোর এবং যৌবনের প্রতিটি পর্যায়ে মা জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। মায়ের হাতে ভর দিয়ে পদচারণা শুরু, মায়ের চোখে পৃথিবী দেখা, গল্প শোনা, কলম ধরে এলোমেলো কিছু লিখতে চেষ্টা করা, আবার কখনো একটু ভয় পেয়ে মুরগির ছানার মতো বুকের মধ্যে লুকিয়ে পড়া, খানিক বাদে বের হয়ে আবার আকাশ দেখা এমন অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে থাকে মানুষটির সঙ্গে। মায়ের সঙ্গে সন্তানের জীবনের প্রতিটি পদেপদে জড়িয়ে থাকে হাজারও সুখকর স্মৃতি। সেই স্মৃতি আমাদের বাঁচতে শেখায়, সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য এগিয়ে যাওয়ার ব্রত হিসেবে কাজ করে।

১৯০৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মা দিবস পালন করা হয়। আমেরিকার স্কুল শিক্ষিকা আনা জার্ভিস মাকে ভালোবেসে এই দিবসের প্রচলন করেন। ১৯০৫ সালে তার মা অ্যান মেরি রিভস জার্ভিসের মৃত্যুর পর এ নিয়ে তিনি আরও বেশি প্রচারণা চালান। নিজের মায়ের মতো দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সব মাকে স্বীকৃতি দিতে আনা জার্ভিস প্রচার শুরু করেন। মাকে বিশেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্যই এই বিশেষ দিনে প্রচলন শুরু করা হয়। ১৯০৫ সালে তিনিই প্রথম মা দিবসকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য লড়াই শুরু করেছিলেন। তার এই প্রস্তাব শুরুর দিকে খারিজ করে দিয়েছিল মার্কিন কংগ্রেস। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি। এরপর আমেরিকার সব প্রদেশ তার প্রস্তাবে রাজি হয়ে ওই দিন ছুটি পালন করা হয়। এভাবেই ছিল মা দিবসের শুরুটা।

আজকের এই দিনে পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। সব মা সুস্থ থাকুক, ভালো থাকুক এই হোক আজকের প্রত্যাশা।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ