1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • সোমবার, ১১ মে, ২০২৬

দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে কারাবাসের সাজাপ্রাপ্ত থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন। আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের ক্লোং প্রেম কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয় কারা কর্তৃপক্ষ।

তবে কারাগার থেকে মুক্তি পেলেও সরকারের সার্বক্ষণিক নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে। নজরদারির সুবিধার জন্য তার পায়ের গোড়ালিতে পরানো হয়েছে একটি ইলেকট্রনিক বেসলেট।

৭৬ বছর বয়সী থাকসিন ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল পিউ থাই পার্টির তৎকালীন শীর্ষ নেতা থাকসিন। সে সময় দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে; আদালতে মামলাও হয়েছিল।

মামলা থেকে বাঁচতে দেশ ছেড়ে আমিরাতে পালিয়ে গিয়েছিলেন থাকসিন। সেখান থেকে গত ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ব্যাংককে ফিরে আসেন তিনি এবং দেশে পা রাখা মাত্র আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে।

থাকসিন পলাতক থাকা অবস্থায় তার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার রায় ঘোষণা করেছিল থাইল্যান্ডের সুপ্রিম কোর্ট। মামলায় তাকে এক বছর কারাবাসের সাজা দেওয়া হয়েছিল। সেপ্টেম্বরে তিনি দেশে ফেরার সঙ্গে সঙ্গে সেই সাজা কার্যকর করা হয়।

তবে এক বছর কারাবাসের সাজা থাকলেও আট মাসের মধ্যেই মুক্তি পেয়েছেন তিনি। তার মেয়ে এবং থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী পায়তংতান সিনাওয়াত্রা তাকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য কারাগারের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। অপক্ষায় ছিলেন পিউ থাই পার্টির শত শত কর্মী সমর্থকও। তিনি কারা ফটক দিয়ে বের হতেই উল্লাস প্রকাশ করেন তারা।

নিজের চেষ্টায় বিলিওনিয়ার হওয়া থাকসিন তার দেশের রাজনীতিতে ‘কাউকে তোয়াক্কা না করা’ রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত। ২০০১ সালে যখন তিনি ক্ষমতায় আরোহন করেন— সে সময় যেমন তার কিছু নিবেদিতপ্রাণ সমর্থ তৈরি হয়েছিল, সমানুপাতিক হারে কিছু তিক্ত প্রতিপক্ষেরও আবির্ভাব ঘটেছিল। ২০০৬ সালে এক সামরিক অভ্যুত্থানে তার সরকারের পতন হয় এবং তিনি দেশত্যাগ করেন।

তবে দেশত্যাগ করলেও থাইল্যান্ডে তার রাজনৈতিক প্রভাব কমেনি। বিদেশ থেকে পিউ থাই পার্টির নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। এই অবস্থায় বিরোধী রাজনৈতিক দল ও প্রতিপক্ষদের সঙ্গে ‘বড় দর কষাকষির পর’ ২০২৫ সালে থাইল্যান্ডে ফেরেন থাকসিন এবং ফিরেই গ্রেপ্তার হন। পরে তাকে কারাগা পাঠানো হয়।

সূত্র : বিবিসি

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ