1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অপারেশন করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী | ঢাকা আওয়ার
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন

১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অপারেশন করা হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬

দেশে বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ মানুষের ছানি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। এসব রোগীর স্বল্পমূল্যে বা বিনামূল্যে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিদ। তিনি বলেন, সারাদেশে ১০ লাখ মানুষের চোখের ছানি অপারেশন করা হবে এবং তাদের বিনামূল্যে লেন্স সরবরাহ করা হবে।

আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আইএপিবি (ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেস)-এর প্রধান নির্বাহী পিটার হোল্যান্ডের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে আইএপিবির সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিশ্বে বর্তমানে ১০০ কোটির বেশি মানুষ প্রয়োজনীয় চক্ষুসেবা থেকে বঞ্চিত। এর ফলে প্রতি বছর বৈশ্বিক অর্থনীতি প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের উৎপাদনশীলতা হারাচ্ছে বলে উল্লেখ করেন পিটার হোল্যান্ড। তিনি জানান, আগামী ২ নভেম্বর অ্যান্টিগুয়ায় চক্ষুস্বাস্থ্যবিষয়ক প্রথম ‘গ্লোবাল সামিট’ অনুষ্ঠিত হবে। অ্যান্টিগুয়া সরকারের আয়োজনে অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে বাংলাদেশ সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত হচ্ছে, যা বৈশ্বিক চক্ষুস্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

পিটার হোল্যান্ড বলেন, বিশ্বব্যাপী চক্ষুস্বাস্থ্যের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। চক্ষুস্বাস্থ্য শুধু চিকিৎসাসেবা নয়; এটি মানুষের জীবনমান, শিশুদের শিক্ষার সুযোগ এবং কর্মজীবনে অংশগ্রহণের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে। চক্ষুস্বাস্থ্য বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে। দৃষ্টিশক্তিবিষয়ক জাতিসংঘের প্রথম প্রস্তাবের পৃষ্ঠপোষক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম ছিল।

তিনি আরও বলেন, সরকার সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চক্ষুস্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। বিশেষ করে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা (ইউনিভার্সাল হেলথ কভারেজ) অর্জনের উদ্যোগে চক্ষুস্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসার উন্নয়নে আইএপিবির পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে পিটার হোল্যান্ড বলেন, দেশে তাদের বেশ কয়েকটি সদস্য সংস্থা কাজ করছে। আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা ছানি অপারেশনের পরিধি বাড়ানো এবং সহজে চশমা সরবরাহ নিশ্চিত করতে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। তিনি বলেন, চক্ষুসেবার মানোন্নয়নে সম্প্রতি বিভিন্ন বিনিয়োগ করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ