ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী বলেন, কওমি মহিলা মাদরাসাগুলো দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ, চরিত্র গঠন এবং নারী শিক্ষার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এখানকার অসংখ্য শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করে সমাজ ও দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখছেন। তাই অসত্য তথ্য, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা কিংবা বিভ্রান্তি ছড়িয়ে এই শিক্ষাব্যবস্থার সুনাম ক্ষুণ্ন করার কোনো অপচেষ্টাই গ্রহণযোগ্য নয়।
শনিবার সকালে রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে ইত্তেফাকুল মাদারিসিল কওমিয়া লিলবানাত বাংলাদেশ (বাংলাদেশ কওমি মহিলা মাদরাসা ঐক্য পরিষদ) আয়োজিত ‘নারী শিক্ষার উন্নয়নে মহিলা মাদরাসার অবদান’ শীর্ষক আলোচনা সভা, বৃত্তি প্রদান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
সংগঠনের আহ্বায়ক ও রাজধানীর গোলাপবাগ মহিলা মাদরাসার মুহতামিম মুফতি ফয়জুল্লাহ ইব্রাহিমীর সভাপতিত্বে এবং সদস্যসচিব মুফতি বশীরুল হাসান খাদিমানীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের বেফাক মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ, সত্যনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপন এবং কওমি মহিলা মাদরাসা সম্পর্কে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি আলেম-উলামা, শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থেকে শিক্ষাব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষায় কাজ করার আহ্বান জানান।
আরো বক্তব্য দেন মাওলানা ড. ওলীউর রহমান, মাওলানা আহমদ মায়মুন, মাওলানা আনওয়ারুল হক, মুফতি আবুল হাসান শামসাবাদী, মুফতি উবায়দুল কাদির নদভী , মুফতি সাইফুল ইসলাম, মুফতি আজিজুল হক, মুফতি শাহাদাত হোসাইন, মুফতি আব্দুস সাত্তার, মুফতি উসমান আশরাফী, মুফতি জোবায়ের আহমদ, মুফতি বেলায়েত হোসাইন ফিরোজী, মাওলানা নূরুল হক, মাওলানা হোসাইন আহমদ প্রমুখ।