1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
তীব্র গরমে চুয়াডাঙ্গায় সড়কের পিচ নরম, দুর্ভোগে মানুষ | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

তীব্র গরমে চুয়াডাঙ্গায় সড়কের পিচ নরম, দুর্ভোগে মানুষ

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে টানা দুদিন ধরে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা পৌঁছেছে প্রায় ৪০ ডিগ্রির কাছাকাছি। এতে জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রচণ্ড রোদ আর গরমে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বিশেষ করে খেটে-খাওয়া শ্রমজীবীরা সমস্যায় পড়েছেন বেশি।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) বেলা ৩টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৩১ শতাংশ। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার একই সময়ে তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল।

হঠাৎ তাপমাত্রার এই ঊর্ধ্বগতিতে সাধারণ মানুষ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে বের হতে চাইছেন না। তীব্র রোদে শ্রমিক, দিনমজুর, রিকশাচালক এবং কৃষকরা কাজ করতে গিয়ে কাহিল হয়ে পড়ছেন। জেলার কোথাও কোথাও সড়কের পিচ গলে যেতেও দেখা গেছে। শহরের পৌরসভা-সংলগ্ন এলাকায় এমন দৃশ্য চোখে পড়েছে। তীব্র গরমে দিশেহারা পুলিশ, শিক্ষার্থী ও পথচারীদের শরবত ও স্যালাইন পান করাতে দেখা গেছে কাউকে কাউকে।

চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার দিনমজুর আব্দুল করিম বলেন, রোদে কাজ করা একেবারে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। একটু পরপর মাথা ঘোরে। তবুও আছি, কাজ না করলে সংসার তো চলবে না।

আরেক দিনমজুর সোহেল রানা জানান, গরমে শরীর একেবারে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। মাঝেমধ্যে কাজ বন্ধ করে ছায়ায় বসে থাকতে হয়, কিন্তু এতে আয় কমে যায়।

ভ্যানচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, দুপুরের দিকে রাস্তায় বের হওয়া কষ্টকর। গরমে যাত্রীও কম, আবার শরীরও সাপোর্ট করে না।

একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রাশেদ মাহমুদ বলেন, অফিসে যেতে-আসতে খুব কষ্ট হচ্ছে। রাস্তায় বের হলেই মনে হয় শরীর পুড়ে যাচ্ছে। এমন গরমে স্বাভাবিক কাজ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।

তীব্র এই গরমের মধ্যে জ্বালানি সংকট পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। জেলার বিভিন্ন তেলের পাম্পে মোটরসাইকেল চালকদের রোদের মধ্যে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে।

চুয়াডাঙ্গা শহরের মোটরসাইকেল চালক আকাশ ইসলাম বলেন, সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে তেল নিতে ৩-৪ ঘণ্টা লাগছে। এই রোদের মধ্যেই অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যা অতান্ত কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, জেলায় বর্তমানে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আগামী এক থেকে দুই দিন অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর তাপমাত্রা কিছুটা কমার সম্ভাবনা রয়েছে এবং বৃষ্টিরও আভাস রয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ