1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
পানিতে ডুবে বছরে ১৫ হাজার মানুষের প্রাণহানি | ঢাকা আওয়ার
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:

পানিতে ডুবে বছরে ১৫ হাজার মানুষের প্রাণহানি

ঢাকা অনলাইন ডেস্ক
  • মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৫

প্রতিদিন গড়ে ৪১ জন মানুষ পানিতে ডুবে মারা যান। বছর শেষে এই প্রাণহানি ১৫ হাজারে গিয়ে পৌঁছায়। এভাবে নানা বয়সী মানুষের মৃত্যু ঘটলেও শিশুদের সংখ্যা বেশি বলে উঠে এসেছে সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশের (সিআইপিআরবি) প্রতিবেদনে।

প্রতিবেদন নিয়ে আলোচনাকালে বিশেষজ্ঞরা এই মৃত্যুর হার কমাতে সাঁতার প্রশিক্ষণ ও পানিতে ডোবার হাত থেকে নিজেকে রক্ষার কৌশল শেখানোর ব্যবস্থা সহজলভ্য করার তাগিদ দিয়েছেন।

একইসঙ্গে সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সাঁতার শেখানোর কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে ‘জীবন রক্ষার উদ্যোগে ইউনিসেফের অঙ্গীকার’ শীর্ষক পানিতে ডোবা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মশালায় এই পরামর্শ দেন তারা।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউনিসেফ বাংলাদেশের অফিসার ইন-চার্জ ও চাইল্ড প্রোটেকশন চিফ ড. এলিসা কল্পনা বলেন, ‘বাংলাদেশে পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে ইউনিসেফ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। সুইমসেফ প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের জীবন রক্ষাকারী দক্ষতা শেখানো হচ্ছে।

পাশাপাশি জলবায়ু সহনশীলতা ও সমতার মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখছি।’
তিনি আরো বলেন, ‘এই প্রোগ্রাম শুধু জীবন বাঁচায় না, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধেও সহায়তা করে। খেলাধুলার মাধ্যমে মেয়েদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তাদের ভবিষ্যৎ গড়ার পথে অগ্রসর হওয়ার ক্ষমতা দেয়, যা সমাজের ক্ষতিকর প্রথাগুলোর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সাহায্য করে।’

অনুষ্ঠানে ইউনিসেফের চাইল্ড প্রোটেকশন স্পেশালিস্ট মনিরা হাসান বলেন, ‘২০০৬ সালে শুরু হওয়া সুইমসেফ প্রোগ্রাম ইতোমধ্যে ৬ লাখেরও বেশি শিশু ও কিশোর-কিশোরীকে সাঁতার শেখাতে পেরেছে।

১০ হাজার কমিউনিটি ভলান্টিয়ারকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। লক্ষাধিক অভিভাবক ও তত্ত্বাবধায়ককে সচেতন করা হয়েছে। এই উদ্যোগ পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধে এক বিপ্লব ঘটিয়েছে। ২০২২ সালে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় প্রোগ্রামটি সম্প্রসারিত হওয়ায় এর কার্যকারিতা বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে।’
ডুবে যাওয়া প্রতিরোধ উদ্যোগের টেকসই সম্প্রসারণে সহযোগিতার গুরুত্ব তুলে ধরেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ড. মো. শিব্বির আহমেদ ওসমানী।

তিনি বলেন, ‘পানিতে ডুবা রোগী হাসপাতালে আসার আগে স্বাস্থ্য কর্মীদের ভূমিকা রাখার সুযোগ নেই। তবে সচেতনতা তৈরিতে কাজ করতে পারে। সচতেনতা সৃষ্টি করার মাধ্যমে পানিতে ডুবে অকালে প্রাণহানির হাত থেকে শিশুদের রক্ষা করতে হবে।’

বাংলাদেশ সুইমিং ফেডারেশন এবং শিশু একাডেমির (আইসিবিসি প্রজেক্ট) প্রোগ্রাম ম্যানেজার মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘শিশুদের জন্য সাঁতার প্রশিক্ষণের সুযোগ সহজলভ্য করতে হবে। যাতে করে প্রত্যেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই কার্যক্রম শুরু হয়। এক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি পৃষ্টপোষকতা দিতে হবে।’

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের স্পোর্টস ফর ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের কো-অর্ডিনেটর সানজিদা ইসলাম খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুদের জীবন রক্ষাকারী দক্ষতা শেখানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। বাংলাদেশকে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যসম্মত ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সিআইপিআরবি’র কমিউনিকেশন ম্যানেজার নাহিদ আখতার নিপার সঞ্চালনায় কর্মশালায় আরো বক্তৃতা করেন ক্রীড়া অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আজিম হোসেন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির যুগ্ম সচিব মো. গোলাম মোস্তফা প্রমূখ।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ