1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক্স | ঢাকা আওয়ার
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে এক্স

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শনিবার, ২২ মার্চ, ২০২৫

সেন্সরনীতির অপপ্রয়োগের মাধ্যমে কন্টেন্ট মুছে ফেলার অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা ও বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলন মাস্কের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রতিষ্ঠান এক্স। ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় কর্ণাটক রাজ্যের হাইকোর্টে করা হয়েছে এই মামলা।

গত ০৫ মার্চ মামলাটি করেছে এক্স। ইতোমধ্যে একদিন এর শুনানি হয়েছে পরবর্তী শুনানির দিন হিসেবে আগামী ২৭ মার্চকে নির্ধারণ করা হয়েছে। আদালত সূত্রে জানা গেছে, মূল অভিযোগ আনা হয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রালয়ের বিরুদ্ধে এবং অভিযোগপত্রে লেখা হয়েছে, এক্সের কন্টেন্ট মুছে ফেলার জন্য ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় দেশটিতে প্রচলিত সেন্সরনীতিকে পাশ কাটিয়ে ‘অগণিত’ সরকারি কর্মকর্তাকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, কন্টেন্ট ব্লক করার আদেশ জারি করে গত বছর একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এই ওয়েবসাইটের অন্যতম সদস্য তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণায় সম্প্রতি ভারতের সব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানির জন্য ওয়েবসাইটিটিতে যোগ দেওয়া বাধ্যতামূলক করে নোটিশ দিয়েছে।

এক্সের অভিযোগ, এই নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার প্রতিষ্ঠানটির বৈধ সুরক্ষাব্যবস্থাকে হুমকির মুখে ফেলেছে। কারণ সাধারণত সার্বভৌমত্ব জাতীয় নিরাপত্তা বা সরকারি আদেশের ক্ষেত্রে এ ধরনের নোটিশ জারি করা হয়।

এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে চেয়ে এক্স এবং ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল রয়টার্স; কিন্তু কর্মকর্তারা কোনো মন্তব্য না করে রয়টার্সকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেন। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ করে সংবাদমাধ্যমটি; কিন্তু সেই মন্ত্রণালয়ের কোনো কর্মকর্তা এ ইস্যুতে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সূত্র : রয়টার্স

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ