1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মুরগিতে বাড়তি চাপ | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন

সবজিতে স্বস্তি, মাছ-মুরগিতে বাড়তি চাপ

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে মাছ-মুরগির দাম। তবে স্থিতিশীল রয়েছে মৌসুমি সবজির বাজার। দাম বাড়েনি গরুর মাংসেরও। মাসের শুরুতে সরবরাহের প্রভাবে মাছ ও মুরগির দামে কিছুটা ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর রামপুরা, গুলশান, বাড্ডাসহ আশপাশের কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এ তথ্য।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁকরোল, ধুন্দল, চিচিঙ্গা, পটল, ঝিঙে, পেঁপেসহ বেশিরভাগ সবজির দাম আগের মতোই রয়েছে। অর্থাৎ ৪০-৬০ টাকায় মিলছে এসব সবজি। তবে লম্বা ও গোল বেগুন প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২০ টাকা বেশি। কাঁচামরিচ কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৩০-১৪০ টাকায়।

মাছের বাজারে সবচেয়ে বেশি দামের তালিকায় রয়েছে ইলিশ। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৫০০-২৬০০ টাকায়। ৬০০ থেকে ৭০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১৬০০-১৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া মাঝারি আকারের রুই ও কাতল মাছ প্রতি কেজি ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ২৭০ টাকায়, যা আগে ছিল ২৪০ টাকা। সিলভার কার্পসহ দেশীয় অন্যান্য প্রজাতির মাছের দামও কিছুটা বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

রামপুরা বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সুপন বর্মণ বলেন, ইলিশের দাম বাড়েনি। তবে তিন-চারদিনের ব্যবধানে রুই, কাতল ও তেলাপিয়ার দাম কিছুটা বেড়েছে। আড়তে সরবরাহ কম থাকায় আমাদেরও বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।

ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে মুরগির বাজারেও। বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগের তুলনায় প্রায় ১০-১৫ টাকা বেশি। সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকায়, এটিও কেজিতে প্রায় ১০-২০ টাকা বেড়েছে। বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। এছাড়া গরুর মাংসের দাম আগের মতোই রয়েছে।

জোয়ার সাহারা বাজারের আল্লাহর দান চিকেন হাউজের বিক্রেতা সুমন বলেন, মাসের শুরুতে প্রায়ই সরবরাহের কারণে দাম কিছুটা বাড়ে। তবে দাম বাড়লেও বিক্রি কমে না। বরং অনেক সময় বেশি বেচাকেনা হয়।

বাজার করতে আসা জাকির হোসেন বলেন, সবজির বাজার এখনও সহনীয়। তবে মাছ কিনতে গেলে আগের চেয়ে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।

আরেক ক্রেতা মো. ইবরাহিম বলেন, মুরগির দামও বেড়েছে। বাজারে প্রায় সবকিছুর দাম বাড়লেও আয় বাড়েনি। তাই সংসারের খরচ সামলাতে কষ্ট হচ্ছে।

সরবরাহ স্বাভাবিক হলে মাছ ও মুরগির বাজারে আগামী সপ্তাহে কিছুটা স্বস্তি ফিরতে পারে বলে আশা করছেন ব্যবসায়ীরা।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ