1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
১৪০ কোটি নয়, ২২০ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে : সম্প্রচার মন্ত্রী | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন

১৪০ কোটি নয়, ২২০ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে হবে : সম্প্রচার মন্ত্রী

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

বাংলাদেশে ৫৬ হাজার বর্গমাইলের যারা বাংলা ভাষায় কথা বলেন আর যারা বাইরে কথা বলেন তাদের ভাষা এক হলেও মনোজগতে পার্থক্য রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, এজন্য সীমান্তের ওপারে কিংবা কলকাতায় গিয়ে বাঙালির সার্টিফিকেট নিতে হবে না। আমরা নৃতাত্তিকভাবে বাংলাদেশি। আমাদের ক্ষণজন্মা পুরুষ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ একটি বিরাট অর্জন।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুরে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের মুক্তিযোদ্ধা মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ‘দেশ পুনর্গঠনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এই আলোচনা সভার আয়োজন করে আমরা বাংলাদেশি নামের একটি সংগঠন।

মন্ত্রী বলেন, যদি ১৪০ কোটি আর ২০ কোটি মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান তাহলে সার্ক-এর ২২০ কোটি মানুষকেও ঐক্যবদ্ধ করতে হবে। যারা এটা চাইবে না, আমরা তাদের সন্দেহের চোখে দেখবো। আঞ্চলিকতার জন্য সার্ক এবং আন্তর্জাতিকভাবে জাতিসংঘ এভাবেই আমরা এগোতে চাই।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, যখন জাতি সংকটে ছিলো তখনই দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে শুরু করেন আমাদের নেতা তারেক রহমান। তিনি বলেছিলেন দেশ যাবে কোন পথে, ফয়সালা হবে রাজপথে, যদি তুমি ভয় পাও তবে তুমি শেষ, যদি ঘুরে দাঁড়াও তবে তুমিই বাংলাদেশ। এসব স্লোগান কিন্তু আমাদের জুলাই আন্দোলনের শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে আমরা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আদায় করতে পেরেছি।

তিনি বলেন, অতীতের তুলনায় বর্তমান সংসদ জনগণের জন্য কাজ করছে। তবে, কে আমাদের প্রকৃত বন্ধু কিংবা দীর্ঘমেয়াদি বা স্বল্পমেয়াদি বন্ধু সেটা বের করতে হবে। সেজন্যই আমরা বাংলাদেশি সংগঠনের সূচনা। আগামী ৫ আগস্ট বাংলাদেশের সর্বশেষ মহান বিজয় ও গণঅভ্যুত্থানের দিবস পালনের দিন আমরা বাংলাদেশি সংগঠনের যাত্রা শুরু হতে পারে।

প্রধান আলোচক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ বলেন, যারা অখণ্ড ভারত প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন তারা কোন মিশন নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন সেটা ভাবতে হবে। দায়িত্বজ্ঞান ও আপত্তিকর মন্তব্য পরিহার করা উচিত। বাজেট প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমাদের মতো দেশের জন্য এরকম বাজেট খুব বড় বাজেট নয়। তবে সামর্থ্যের ঘাটতি রয়েছে। আকাশ কিংবা পাহাড়ের চূড়ার দিকে তাকিয়ে বসে থাকলে চলবে না। সেখানে পৌঁছানোর কাজ করতে হবে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি নূরুল হক নূর বলেন, জুলাই সনদ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ বিএনপির পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে, যেসব বিষয়ে সম্মত হয়েছে সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হবে। তবে যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে সেগুলো বাদে। যদিও বিএনপি জনগণের ভোটে এখন সরকার গঠন করেছে তারা সেগুলো বাস্তবায়ন করতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট সংসদ গঠন করা যুক্তিযুক্ত নয়। বিএনপি সংস্কার কিংবা জুলাই বিরোধী নয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি জনবান্ধব ও কল্যাণের বাজেট। বিএনপি সরকারের শুরুর বাজেট শুভ সূচনা।

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, জুলাই সনদে গণভোটের বিষয়টি প্রথমে ছিলো না। তবে জাতীয় নির্বাচন যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য পরে একইদিনে গণভোটের বিষয়টি যুক্ত হয়েছে। পরে বিএনপি হ্যাঁ ভোটের পক্ষে প্রচারণা করেছে ৫ কোটি মানুষ হ্যাঁ ভোটে রায় দিয়েছে। আজকে সংসদে বিএনপির সংসদ সদস্য বেশি। তারা কিন্তু সংস্কার করতে পারে। অথচ বিএনপির অর্জনকে বিরোধীদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিষয়গুলো সংসদে আলোচনা হওয়া দরকার। বর্তমান বাজেটে জনপ্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন সাইফুল হক।

সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেন, অনেকে অপপ্রচার করছে যে, বিএনপি সংস্কারের পক্ষে নয় বা সংস্কার বিরোধিতা করছে। অথবা জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিষয়ে বিভিন্ন রকমের নতুন চিন্তাভাবনা করছে। আসলে বিষয়টি তেমন নয়। বিএনপি জুলাই সনদের স্বাক্ষরিত অংশ অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে।

সেলিম বলেন, জুলাই বিপ্লবের পরে সরকারের প্রধান হিসাবে আমরা সঠিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন করতে পারিনি। তিনি তার সব সুবিধা আদায় করেছেন কিন্তু বিনিময়ে দেশকে একটা গভীর সংকটের মুখে ফেলে রেখে চলে গেছেন।

সভাপতির বক্তব্যে বিএনপি নেতা সৈয়দ এহসানুল হুদা বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবার আগে বাংলাদেশ বিশ্বাস থেকেই আমরা বাংলাদেশি সংগঠনের যাত্রা শুরু। যার মধ্যে নিহিত আছে আমাদের নেতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। ভারতের আগ্রাসন ও মৌলভীবাজারে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনা আমরা মানতে চাই না। এটা নতুন বাংলাদেশ।

জুলাই সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন-বিএনপি যেভাবে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছে সেভাবেই হুবহু বাস্তবায়ন করবে।

সংগঠনটির মূল উদ্যোক্তা সৈয়দ এহসানুল হুদার সভাপতিত্বে ও তমিজ উদ্দিন টিটুর পরিচালনায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ