1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
২০২৪ সালে জাপান ভ্রমণ করেছে রেকর্ড ৩ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক | ঢাকা আওয়ার
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
হাদি হত্যা মামলায় অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ফের পেছালো হোয়াইট হাউসের অনুষ্ঠানে ড্রোন-স্নাইপার হামলার পরিকল্পনা নস্যাতের দাবি এফবিআইয়ের লেবাননে যুদ্ধাপরাধ করছে ইসরাইল: অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ইউএনএইচসিআর নির্বাহী কমিটির সভাপতির দায়িত্বে বাংলাদেশ ভারতে মা হওয়ার পর চাকরি ছাড়ছেন ৭৩ শতাংশ নারী, কেন এই সংকট? ফ্যামিলি কার্ডের তৃতীয় ধাপের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে বৃষ্টির আভাস, ১৩ জেলায় বইছে তাপপ্রবাহ মাছের অনেক প্রজাতি বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে : মৎস্যমন্ত্রী সব উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে অনলাইনে ভবন নকশা অনুমোদনের কার্যক্রম চালুর নির্দেশ বাঙালি মুসলমানদের জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে পাঠাচ্ছে ভারত: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

২০২৪ সালে জাপান ভ্রমণ করেছে রেকর্ড ৩ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক

ঢাকা অনলাইন ডেস্ক
  • বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫

২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক পর্যটক জাপান ভ্রমণ করেছেন। জাপানি মুদ্রা ইয়েনের দুর্বল অবস্থা এবং পছন্দের গন্তব্য হিসেবে জাপানের জনপ্রিয়তা এর পেছনে মূল কারণ হিসেবে কাজ করেছে। তবে, কিয়োটোর মতো কিছু জায়গায় ভিড় এবং পর্যটকদের আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগ বাড়ছে। আজ বুধবার প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

জাপান ন্যাশনাল ট্যুরিজম অর্গানাইজেশনের (জেএনটিও) প্রাথমিক অনুমান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে জাপানে ৩ কোটি ৬৮ লাখের বেশি পর্যটক এসেছেন। এই সংখ্যা ২০১৯ সালের আগের সর্বোচ্চ ৩ কোটি ২০ লাখ পর্যটকের চেয়ে অনেক বেশি। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া এক দশকের বেশি সময় ধরে চলমান পর্যটন ফুলেফেঁপে ওঠাকেই নির্দেশ করে। ২০১২ সালের তুলনায় পর্যটক সংখ্যা চার গুণ বেড়েছে।

এই বৃদ্ধির পেছনে জাপান সরকারের নীতিও ভূমিকা রেখেছে। জাপান সরকার দেশটির পবিত্র পর্যটন এলাকা মাউন্ট ফুজি থেকে শুরু করে দূরবর্তী দ্বীপপুঞ্জের মন্দির ও সুশি বারগুলোর মতো স্থানগুলোকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে।

এ ছাড়া, দুর্বল ইয়েন অন্যতম একটি কারণ, যা বিদেশি পর্যটকদের জন্য জাপানকে তুলনামূলক সস্তা করে তুলেছে। একটি রামেন বাটি থেকে শুরু করে হাতে তৈরি রান্নার ছুরি পর্যন্ত সবকিছুই এখন আরও সাশ্রয়ী। লাক্সুরিক নামে আতিথেয়তা ও ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানের প্রেসিডেন্ট নাওমি মানো বলেন, ‘জাপান অনেক মানুষের জন্য দীর্ঘদিনের স্বপ্নের গন্তব্য। বর্তমানে এটি এমন একসময়, যখন মনে হচ্ছে জাপানে ৩০ শতাংশ ছাড় চলছে।’

জাপান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে পর্যটকের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ করে ৬০ মিলিয়নে উন্নীত করার উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ লক্ষ্যে, সরকার পর্যটকদের সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য উদ্যোগ নিচ্ছে, যাতে নির্দিষ্ট স্থানগুলোতে অতিরিক্ত চাপ কমানো যায় এবং পর্যটকদের আকর্ষণকে বসন্তের চেরি ফুল বা শরতের রঙিন পাতা থেকে আরও বহুমুখী করা।

তবে চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী শহর কিয়োটোতে। স্থানীয় বাসিন্দারা পর্যটকদের অশালীন আচরণের বিষয়ে অভিযোগ করেছেন। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে গেইশাদের হয়রানি, যানজট তৈরি এবং ময়লা ফেলা। এর সমাধানে এবং অর্থ উপার্জনের জন্য কিয়োটো গতকাল মঙ্গলবার আবাসন কর বৃদ্ধির পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তাদের লক্ষ্য নাগরিক, পর্যটক এবং ব্যবসায়ীদের জন্য উচ্চ সন্তুষ্টি নিয়ে টেকসই পর্যটন নিশ্চিত করা।

পর্যটন এখন জাপানের অর্থনীতিতে গাড়ি রপ্তানির পর দ্বিতীয় বৃহত্তম আয় উৎস হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ১২৪ মিলিয়ন জনসংখ্যার জাপান এখনো বিশ্বের শীর্ষ পর্যটন গন্তব্য ফ্রান্সের তুলনায় অনেক কম পর্যটক গ্রহণ করে। ফ্রান্সের জনসংখ্যা ৬৮ মিলিয়ন, ২০২৩ সালে ১০০ মিলিয়ন পর্যটক স্বাগত জানিয়েছে।

তবে জাপানের অতিরিক্ত ভিড়ের সমস্যা মূলত নির্দিষ্ট শহরগুলোতে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, টোকিওতে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ২০১৯ সালের তুলনায় দ্বিগুণ এবং ওসাকায় দেড় গুণ বেড়েছে।

নাওমি মানো মনে করেন, সরকার গ্রামীণ পর্যটন বাড়াতে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পর্যটকদের অন্য অঞ্চলে আকৃষ্ট করতে পারে। গ্রামীণ এলাকাগুলোতে কার্যক্রম বুকিং সহজতর করা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করলে এই ভারসাম্য আনা সম্ভব।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ