1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
৬ দিন ধরে নিখোঁজের পর নদীতে মিলল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মরদেহ | ঢাকা আওয়ার
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
রাজবাড়ীতে পাওনা টাকা আদায়ে তরুণকে মারধর, হত্যার পর পেট্রল ঢেলে লাশে আগুন মাদকমুক্ত যুব সমাজে খেলাধুলায় জোর প্রধানমন্ত্রীর সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে স্থানীয় নির্বাচন শুরু হতে পারে: এলজিআরডি মন্ত্রী মূলধারার বাইরে এখন সিটিজেন জার্নালিজম তৈরি হয়েছে: তথ্যমন্ত্রী তাজিয়া মিছিলে দা-ছুরি-কাস্তে-বর্শা-তরবারি-লাঠি নিষিদ্ধ: ডিএমপি কমিশনার জুলাই হামলায় জাবিতে শাস্তি ১৩ শিক্ষক-কর্মকর্তার, অব্যাহতি ৮ জনের ইন্টারপোলের ‘ওয়ান্টেড’ তালিকায় ৫৯ বাংলাদেশি আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই ভুল নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা : স্টেট ডিফেন্স নিয়োগের নির্দেশ হাইকোর্টের একনেকে ৭ হাজার কোটি টাকার ৫ প্রকল্প অনুমোদন

৬ দিন ধরে নিখোঁজের পর নদীতে মিলল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর মরদেহ

প্রতিবেদকের নাম
  • সোমবার, ১৪ জুলাই, ২০২৫

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রী গত ছয় দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর ইয়ামুনা নদীতে তার মরদেহ পাওয়া গেছে। ১৯ বছর বয়সী ওই শিক্ষার্থী হলেন স্নেহা দেবনাথ, সে ত্রিপুরার বাসিন্দা। পুলিশ জানিয়েছে, তার পরিবার মরদেহ চিহ্নিত করেছে। খবর এনডিটিভি

ওই ছাত্রীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। স্নেহা দেবনাথ নিখোঁজের পর থেকেই তার পরিবার গত ছয় দিন ধরে তাকে হন্য হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে। গত ৭ জুলাই ওই ছাত্রী একটি ট্যাক্সিক্যাপ নিয়ে উত্তর দিল্লির সিগনেচার ব্রিজে গিয়েছিলেন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে, স্নেহা একটি চিরকুট রেখে গেছেন। সেখানে তিনি আত্মহত্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া তিনি ওই চিরকুটে পড়াশুনা নিয়ে বিরক্ত ছিলেন না বলে জানান। তবে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা নিয়ে মানসিক চাপে ছিলেন বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ প্রযুক্তি সহায়তায় স্নেহার সর্বশেষ অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে। এরপরই ইয়ামুনা নদীর কাছে তার মরদেহ খুঁজে পাওয়া যায়।

পুলিশ এক বিবৃতিতে বলেন, ট্যাক্সিচালক স্নেহাকে সেতুতে নামিয়ে দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে, তারা একটি মেয়েকে সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছে। এরপর সে হঠাৎ করে উধাও হয়ে যায়।

তার খোঁজে তল্লাশি চালায় ভারতের জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ বাহিনী এবং পুলিশ ইউনিট। তারা উত্তর দিল্লির নিগম বোধ ঘাট থেকে উত্তরপ্রদেশের নয়ডা পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করে।

পুলিশ জানিয়েছে, স্নেহা গত ৭ জুলাই তার কাছের এক বন্ধুকে ইমেইল এবং মেসেজ পাঠিয়ে জানায়, সে কয়েক মাস ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছে।

তার পরিবার এবং বন্ধুরা সিগনেচার সেতু এলাকার নজরদারি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। তারা অভিযোগ করেন, স্নেহা নিখোঁজের দিন থেকে সেতুর আশেপাশে থাকা সিসিটিভিগুলো কাজ করছিল না।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ