1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
আন্দোলন প্রত্যাহার করল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ | ঢাকা আওয়ার
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন

আন্দোলন প্রত্যাহার করল ‘ককরোচ জনতা পার্টি’

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬

ভারতের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার (নিট) প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারির জেরে অবশেষে পদত্যাগ করেছেন দেশটির কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। তাঁর পদত্যাগসহ অন্যান্য দাবি মেনে নেওয়ার পর ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান দীর্ঘ ৩৬ দিনের আন্দোলন ‘অবিলম্বে কার্যকরের’ ঘোষণা দিয়ে প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী ও সিজেপি নেতাদের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আন্দোলনকারীদের ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের পাশে বসে সিজেপি-র মুখপাত্র সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা সাংবাদিকদের জানান, সরকার তাঁদের দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় ‘সদুদ্দেশ্য’ নিয়ে তাঁরা এই আন্দোলন প্রত্যাহার করছেন।

প্রধান দাবি হিসেবে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি সরকার সিজেপিকে আরও আশ্বাস দিয়েছে যে—

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত পুলিশি মামলা প্রত্যাহার করা হবে।

ভবিষ্যতে এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তাদের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা (নিট) প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় মানসিক অপবাদে যেসব শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে, নিয়ম অনুযায়ী তাঁদের পরিবারকে সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে সৌরভ দাস বলেন, আমরা সব আন্দোলনকারীকে ঘরে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি, কারণ সরকার আমাদের দাবিগুলো মেনে নিয়েছে।

মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ৩৬ দিনের টানা আন্দোলনের পর সরকার আমাদের সব দাবি মেনে নিয়েছে। আমরা সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করার আহ্বান জানাচ্ছি। আমাদের দাবিগুলো চরমপন্থি কিছু ছিল না, বরং খুবই মৌলিক ছিল, যা অবশেষে সরকার গ্রহণ করেছে।

আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণার পরপরই দিল্লি পুলিশ লাউডস্পিকার ব্যবহার করে সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরে অবস্থানরত বিক্ষোভকারীদের এলাকা খালি করার অনুরোধ জানায়।

উল্লেখ্য, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই আন্দোলনের কারণে ট্রাফিক ডাইভারশন ও মেট্রো স্টেশন বন্ধ থাকার পাশাপাশি আশপাশের জনপ্রিয় পর্যটন ও স্থানীয় বাজারগুলোতে ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের সমাগম ব্যাপক হারে কমে গিয়েছিল। আন্দোলন প্রত্যাহারের ফলে দীর্ঘ দিন পর ওই এলাকায় স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ