1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
আফগানিস্তানে আফিম উৎপাদন কমেছে: জাতিসংঘ | ঢাকা আওয়ার
বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা হামের টিকায় গাফিলতির প্রমাণ পেলে কঠোর ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী টাঙ্গাইলে যমজ দুই ভাইয়ের সঙ্গে লতা-পাতার বিয়ে দেশের ৭৫টি কারাগারে ধারণক্ষমতার ১.৭ গুণ বন্দি আটক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্যখাতে আরও ৫ হাজার ডাক্তার নেওয়া হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী চালের দাম ও সরবরাহ পরিস্থিতি বর্তমানে যথেষ্ট স্থিতিশীল : বাণিজ্যমন্ত্রী সীমান্ত হত্যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নামাজের ইমামতি করে পালিয়েও রক্ষা নয়, দুই দিন পর গ্রেপ্তার গোলাম আজম আমাদের প্রান্তিক কৃষক হবেন ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তা : প্রধানমন্ত্রী জনগণের টাকা পাচার হতে দেওয়া হবে না: প্রধানমন্ত্রী

আফগানিস্তানে আফিম উৎপাদন কমেছে: জাতিসংঘ

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫

তালেবান সরকারের ২০২২ সালে আরোপিত নিষেধাজ্ঞার পর আফগানিস্তানে আফিম চাষ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ।

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তর প্রকাশিত এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, ২০২৪ সালে আফিম খামারের মোট আয়তন গত বছরের তুলনায় ২০ শতাংশ কমেছে।

আর আফিম উৎপাদনের পরিমাণ একই সময়ে ৩২ শতাংশ কমেছে। একসময় বিশ্বের মোট আফিমের ৮০ শতাংশের বেশি উৎপাদন হত আফগানিস্তানে।

ইউরোপের বাজারে ব্যবহৃত হেরোইনের ৯৫ শতাংশের উৎসও ছিল আফগান আফিম।

তালেবান সরকার ২০২১ সালে ক্ষমতায় ফেরার পর ২০২২ সালের এপ্রিলে আফিম চাষ নিষিদ্ধ করে। তারা জানায়, আফিম ইসলামবিরোধী এবং ক্ষতিকর।

জাতিসংঘ জানিয়েছে, ‘গুরুতর অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ’ অধিকাংশ আফগান কৃষক এই নিষেধাজ্ঞা মেনে চলছেন।

অনেক কৃষক এখন খাদ্যশস্য ফলাচ্ছেন। কিন্তু পপি বা পপি ফুল, যা থেকে হেরোইনের মূল উপাদান আফিম তৈরি হয়, সেই ফুলের চাষ এখনও অন্য ফসলের তুলনায় বহুগুণ বেশি লাভজনক।

লাভজনক বিকল্পের অভাব, কৃষি উৎপাদনে সীমাবদ্ধতা এবং প্রতিকূল জলবায়ু পরিস্থিতির কারণে আফগানিস্তানের ৪০ শতাংশেরও বেশি আবাদযোগ্য জমি অনাবাদী পড়ে আছে।

চলতি বছর আফিম চাষের আওতায় জমির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ২০০ হেক্টর। এই জমি মূলত আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এর বেশিরভাগই পড়েবাদাখশান প্রদেশে।

২০২২ সালের নিষেধাজ্ঞার আগে আফগানিস্তান জুড়ে ২ লাখ হেক্টরেরও বেশি জমিতে আফিম চাষ হত।

২০২৫ সালে আফগানিস্তানের চারটি প্রদেশ-বালখ, ফারাহ, লাঘমান ও উরুজগানকে ‘আফিম-মুক্ত’ ঘোষণা করা হয়েছে।

সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আফিম উৎপাদনের ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলগুলো থেকেও চাষ প্রায় না হওয়া পপি চাষের ওপর নিষেধাজ্ঞার মাত্রা ও স্থায়িত্ব নির্দেশ করে।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ