1. mistake.rocky@gmail.com : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. dhakahour@gmail.com : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. sarowar.rocky@gmail.com : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. sadakmostafa5@gmail.com : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. info@dhakahour.com : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. yfmahmud82@gmail.com : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
গেরিলা নেতা সন্তু লারমার প্রথম সাক্ষাৎকার | ঢাকা আওয়ার
রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন

গেরিলা নেতা সন্তু লারমার প্রথম সাক্ষাৎকার

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৪

পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের ৩ বছর আগে, অশান্ত পার্বত্য পরিস্থিতিতে ১৯৯৪ সালের ৫ মে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় গিয়ে গেরিরা গ্রুপ শান্তিবাহিনীর প্রধান, জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সভাপতি জ্রোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমার সচিত্র সাক্ষাৎকার নেন সাংবাদিক বিপ্লব রহমান। দৈনিক আজকের কাগজে ১৯৯৪ সালের ১০ মে সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। এটিই ছিল কোনো গণমাধ্যমকে দেওয়া সন্তু লারমার প্রথম সাক্ষাৎকার। শিরোনাম ছিল ‘একান্ত সাক্ষাৎকারে শান্তিবাহিনী প্রধান সন্তু লারমা: শান্তিবাহিনী কোনো বিদেশি শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়’।

সাক্ষাৎকারটি নিচে তুলে ধরা হলো –

প্রশ্ন: বিগত ও বর্মান কয়েকটি সরকারের আমলে জেএসএস একাধিকবার অসফল ও সফল বৈঠকের আয়োজন করেছে। এ পর্ায়ে বৈঠকগুলো সম্পর্ আপনার মূল্যায়ন কী?

উত্তর: আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের আন্দোলনের রুপ সশস্ত্র হলেও জেএসএস শান্ত্রিপূর্ ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পার্ত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সুষ্ঠু রাজনৈতিক সমাধানের পথ বাতিল করে দেয়নি। তাই এতদিন ধরে জেএসএস শান্তিপূর্ ও নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধানের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বিগত এরশাদ সরকারের আমলে ছয়বার বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের কোনো পথ খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি জনসংহতি সমিতির উত্থাপিত পাঁচ দফা দাবিও এরশাদ সরকার কর্ক গ্রহণ করা হয়নি। এতে সে সরকারের মনোভাব ও দৃষ্টিভঙ্গি জানা সম্ভবপর হয়ে ওঠে।

এরপর খালেদা জিয়া সরকারের সাথেও সাতবার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইতিমধ্যে বর্মান সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জেএসএসিএর পাঁচ দফা দাবি পেশ করা হয়েছে। এ দাবিনামায় লিখিতভাবে উত্তর দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, ১৯৮৯ সালে প্রণীত পার্ত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ আইনের মাধ্রমে পাঁচ দফা দাবি, তথা পার্ত্য চট্টগ্রাস নসন্যার সমাধান দেওয়া হয়েছে।
সরকারের এই বক্তব্য এবং সরকারের সাথে ইতিমধ্যে অনুষ্ঠিত বিগত বৈঠকসমূহ বিশ্লেষণ ও মূল্যায়নে তারা সুস্পষ্টভাবে পার্ত্য চট্টগ্রাম সমস্রার সৃষ্ট রাজনৈতিক সমাধানে আদ্যে আন্তরিক কি না, এ সমস্যার সমাধানে সরকারের কোনো সুনির্ষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে কি না এবং এ সরকারের সদিচ্ছার বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়ে যায়।
এ পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, এ পর্ন্ত অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোনো মৌলিক অগ্রগতি সাধিত হয়নি। এই এরাকার সুষ্ঠু রাজনৈতিক সমাধানের প্রেক্ষাপটে স্পপষ্টতই বিগত এরশাদ সরকার ও খালেদা জিয়ার সরকারের মধ্যে এ পর্ন্ত কোনো মৌলিক পার্ক্যা দেখা যায়নি

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) ১৯৮৭ সালের কর্মী সম্মেলনে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারাছবি জেএসএসের সৌজন্যে

প্রশ্ন: জেএসএস –এর সংশোধিত পাঁচ দফা, তথা স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার দাবি এ পর্ায়ে কিভাবে অর্ত হতে পারে বলে আপনি মনে করেন? পাঁচ দফা দাবি পূরণ ও স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ও আশু পদক্ষেপই বা কী?

উত্তর: জেএসএস জুম্ম বা পাহাড়ি জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই গঠিত হয়েছে। এ সংগঠনের পাঁচ দফা তথা স্বায়ত্তশাসন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কোনো অপূরণীয় দাবি হতে পারে না। কিন্তু বলা যায়, বাংলাদেশ সরকার এ দাবি পূরণে আন্তরিকতা ও সদিচ্ছা নিয়ে এখনো পর্ন্ত এগিয়ে আসেনি। যতক্ষণ না বাংলাদেশ সরকার এ দাবি পূরণ করবে, ততক্ষণ পর্ন্ত জনসংহহি সমিমি আন্দোলন চালিয়ে যাবেই।
সরোপরি বাংলাদেশ সরকার পাঁচ দফা দাবি পূরণে অর্াৎ পার্ চট্টগ্রাম সমস্যার সুষ্ঠু রাজনৈতিক সমাধানে যাতে এগিয়ে আসে, সে জন্য জেএসএস বাংলাদেশের সকল প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক তথা আপামর জনগণ এবং আন্তর্াতিক সম্প্রদায়ের সমর্ন আদায়ে অব্যাহতভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

প্রশ্ন: সরকার এ পর্ায়ে জেএসএস –এর দাবিনামাসহ (শান্তিবাহিনীর সঙ্গে সেনাবাহিনী) যুদ্ধবিরতির অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়নে কতটুকু আন্তরিক বলে আপনি মনে করেন?

উত্তর: উল্লেখিত দাবিনামা পূরণ ও যুদ্ধবিরতির অঙ্গীকারসমূহ বাস্তবায়ন পারস্পরিক সংশ্লিষ্ট বিষয়। যদিও উভয় পক্ষে গৃহীত যুদ্ধবিরতির শর্াবলি বাস্তবায়নে শান্তিবাহিনী যথেষ্ট আন্তরিক এবং যথাযথভাবে পালন করে আসছে। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার ও তার সশস্ত্র বাহিনী যুদ্ধবিরতির শর্াবলি প্রতিপালনে আন্তরিক নয় বলেই বারবার প্রমাণিত হচ্ছে। ক্যাম্প সম্প্রসারণসহ বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী কর্ক শান্তিবাহিনরি হাইড আউট আক্রমণ, তল্লামি অভিযান, জেএসএস সদস্যদের ধরপাকড়, জুম্ম (পাহাড়ি) জনগণের ওপর গণহত্যা, গ্রেপ্তার, নির্াতন-নিপড়িন, ধর্ণ ইত্যাদি সবই অব্যাহত আছে। এছাড়া পার্ত্য জেলায় বেআইনি অনুপ্রবেশ, বসতি স্থাপন, হমি বেদখল, সুকৌশলে বহিরাগতদের জমি বন্দোবস্তকরণ, সামরিক প্রশাসনের প্রাধান্র বিস্তার ইত্যাদি বন্ধ হয়নি।

প্রশ্ন: অভিযোগ রয়েছে, জেএসএস গণবিচ্ছিন্ন ও সন্ত্রাস শক্তি, তারা ভারত সরকারের আশীর্াদপুষ্ট হয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে ক্রমেই ঘোলা করে চলেছে। এ প্রসঙ্গে আপনার মন্তব্য?

উত্তর: জেএসএস জুম জনগণের মধ্যে তেকে জুম্ম জনগণের জাতীয় স্বার্ গড়ে উঠেছে। এটি জুম্ম জনগণের একমাত্র রাজনৈতিক সংগঠন। আর জুম্ম জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে একটা সুনির্ষ্ট কর্সূচি নিয়ে এ সংগঠন কাজ করে চলেছে। তাই জেএসএস’কে কোনো গণবিচ্ছিন্ন সংগঠন বলা যেতে পারে না এবং একে কোনো অবস্থাতেই সন্ত্রাস শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করা যায় না। তাই জনসংহতি সমিতি একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আন্তর্াতিক স্বকিৃতি লাভে সমর্ হয়েছে।

সতরাং কায়েমি স্বার্বাদী ও প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি, যারা পার্ত্য চট্টগ্রাম সমস্যার সুষ্ঠু েরাজনৈতিক সমাধান দেখতে চায় না এবং যারা আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকারের আন্দোলন নস্যাৎ করে দিয়ে জুম্ম জনগণেতীয় অস্তিত্ব ও ভূমির অধিকার ধ্বংস করে দিতে বদ্ধপরিকর, সেইসব কায়েমি ও প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী জেএসএস ’কে গণবিচ্ছিন্ন ও সন্ত্রাসী শক্তি বলে অপপ্রচার করে থাকে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জেএসএস নিজেই একটি স্বাধীন ও সার্ভোম শক্তি; এটি অন্য কোনো শক্তি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয়। কাজেই কারো আশীর্াদপুষ্ট হয়ে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলা করার বক্তব্য সম্পূর্ অবান্তর ও কল্পনাপ্রসূত।

১৯৯৪ সালে শান্তি বাহিনীর ক্যাম্প

প্রশ্ন: জনসংহতি সমিতি ও শান্তিবাহিনীর উদ্ভব কেন? এর প্রয়োজনীয়তা কী?

উত্তর: পার্ত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি হলো ১০ ভিন্ন ভাষাভাষী জুম্ম জনগণ, অর্াৎ চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম, খেয়াং, পাংখো, লুসাই, খুমি এবং চাক- এর একমাত্র রাজনৈতিক সংগঠন। জুম্ম জনগণের জাতীয় অস্তিত্ব ও বিকাশ, ভূমির অধিকার প্রতিষ্ঠা, গণতান্ত্রিক শাসন ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা, তথা জুম্ম জনগণের সকল প্রকার পশ্চাৎপদতা কাটিয়ে ওঠার লক্ষ্যে এবং সরোপরি দেশের অন্য কোনো রাজনৈতিক দল কোনো প্রকারের ন্যূনতম কর্সুচি নিয়ে এগিয়ে না আসায় এবং প্রায় সকল ক্ষেত্রে অবজ্ঞা ও চরম অবহেলা দেখানোর ফলে জুম্ম জনগণের একটি নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে অনুভূত হয়।

এই পটভূমিতে ভিন্ন ভাষাভাষী জুম্ম জনগণের ব্রাপক সমর্নে প্রয়াত মানবেন্দ্র নারাষণ (এমএন) লারমার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) গঠিত হয়। এটি একই সঙ্গে নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে পার্ত্র চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের জন্য আত্মনিয়ন্ত্রাধিকারের আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে।
কিন্তু যখন একদিকে ‘১৯০০ সালের পার্ত্য চট্টগ্রাম শাসন বিধি’ উপেক্ষা করে, বাংলাদেশের সংবিধানে জুম্ম জনগণের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব খর্ করে, পার্ত্য চট্টগ্রামের পৃথক শাসিত অঞ্চলের মর্দা বাতিল করা হয়, অন্যদিকে জুম্ম জনগণের ওপর জাতিগত নিপীড়ন-নির্াতন উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সরোপরি যখন জুম্ম জনগণের অস্তিত্ব ও ভূমির অধিকার প্রতিষ্ঠার সব ধরনের আবেদন ব্যর্তায় পর্াবসিত হয়, তখন নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে সংগ্রাম করার সকল পথ রুদ্ধ হয়ে যেতে থাকে এবং অধিকারকামী জুম্ম জনগণকে সশস্ত্র সংগ্রামের দিকে ঠেলদেওয়া হতে থাকে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জেএসএস –এর নেতৃত্বে ‘শান্তিবাহিনী’ নামে একটি সশস্ত্র সংগঠন (গেরিলা গ্রুপ) ১৯৭৩ সালের ৭ জানুয়ারি জন্মলাভ করে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, শান্তিবাহিনী গঠনের পরেও জেএসএস নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখে। কিন্তু পরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা, অব্যাহত সামরিক নির্াতন ও সন্ত্রাস এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্নের পরিপ্রেক্ষিতে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। যার ফজেএসএস শস্ত্র আন্দোলনের পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। জেএসএস কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে বিশ্বাসী নয়। এটি বাংলাদেশের সার্ভৌমত্বের অধীনে জুম্ম জনগণের জাতীয় অস্তিত্ব, ভূমিস্বত্ব, গণতান্ত্রিক ও মৌলিক অধিকার সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করতে চায়।

পাকিস্তান আমরের জাতিগত নিপীড়নের সঙ্গে পার্ত্য পরিস্থিতির পার্ক্য হচ্ছে, তখন পাকিস্তান সরকার এদেশের সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেছে। কিন্তু একন এদেশে সেনাবাহিনী এদেশেরই পাহাড়ি জনগণেল বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে। এটি হচ্ছে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে বুলেটে উগিয়ে দেওয়ার জন্য সেনা অপারেশন।
আত্মরক্ষার অধিকার তো সকলেরই আছে, তাই না? আর আমরা লড়ছি পাহাড়ে আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য। তবে সাধারণ বাঙালিদের সঙ্গে আমাদের কোনো বিরোধ নেই।

প্রশ্ন: পার্ক্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ, পাহাড়ি গণপরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সঙ্গে জেএসএস –এর সম্পর্ কী? এগুলো কি জেএসএস –এর প্রকাশ্য বা অঙ্গসংগঠন? মংগঠনগুলোর চলমান আন্দোলন সম্পকে আপনাদের মূল্যায়ন?

উত্তর: না, এঠন জেএসএস –এর অঙ্গসংগঠন নয়। এসব সংগঠনের দাবি-দাওয়ার সঙ্গে জেএসএস –এর দাবি-দাওয়ার কোনো সাদৃশ্য থাকলে তা পার্ত্য চট্টগ্রামের বাস্তবতার কারণেই হয়েছেছে বলা যায়। উল্লেখ্য, পার্ত্য চট্টগ্রামের জুম্ম জনগণের স্বার্ যে কোনো রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের আন্দোলনকে জেএসএস অভিনন্দন জানায়।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ