1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
জুনে করোনায় ২২ এবং ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু | ঢাকা আওয়ার
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন

জুনে করোনায় ২২ এবং ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু

প্রতিবেদকের নাম
  • মঙ্গলবার, ১ জুলাই, ২০২৫

চলতি বছরের জুনে হঠাৎ করেই করোনা ও ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যায়। মৃত্যুর পাশাপাশি আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়তে থাকে পাল্লা দিয়ে। হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে রোগীর চাপ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনের তথ্যমতে, জুন মাসে করোনায় ২২ জন এবং ডেঙ্গুতে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, যা চলতি বছরে এক মাসে সর্বোচ্চ।

চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুর পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারিতে ডেঙ্গুতে ১০ জনের মৃত্যু এবং এক হাজার ১৬১ জন হাসপাতালে, ফেব্রুয়ারিতে ৩ জনের মৃত্যু এবং ৩৭৪ জন হাসপাতালে, মার্চে কারও মৃত্যু হলেও ৩৩৬ জন হাসপাতালে, এপ্রিলে ৭ জনের মৃত্যু এবং ৭০১ জন হাসপাতালে, মে মাসে ৩ জনের মৃত্যু এবং এক হাজার ৭৭৩ জন হাসপাতালে, জুনে সর্বোচ্চ ১৯ জনের এবং ৫ হাজার ৯৫১ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সবমিলিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ হাজার ২৯৬ জন। এরমধ্যে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৯ হাজার ৮৭ জন। মারা গেছেন ৪২ জন।

এদিকে, চলতি বছরে হঠাৎ করে করোনার প্রকোপ বেড়ে যায়। সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হিসেবে আইসিডিডিআরবি নতুন দুটি সাব-ভ্যারিয়েন্ট এক্সএফজি এবং এক্সএফসি বৃদ্ধির তথ্য তুলে ধরেছে।

জুন মাসের প্রথম ১০ দিনে ১৪টি জিনোম সিকুয়েন্স করা হয়। এর মধ্যে ১২টিতেই এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে, যা ওমিক্রন জেএন.১-এর একটি উপশাখা। সম্প্রতি যেসব নমুনা পাওয়া যাচ্ছে, এর প্রায় সবকটিতে এক্সএফজি ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে।

চলতি বছরের জুনে ১ হাজার ৪০৯ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ১৩৪ জন করোনা শনাক্ত হন। মৃত্যু হয় ২২ জনের। অবাক করার বিষয় হলো চলতি বছরে মারা যাওয়া ২২ জনই জুন মাসে মারা যান।

করোনা শুরুর পর থেকে দেশে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৫২ হাজার ৯৩ জন। এরমধ্যে ২৯ হাজার ৫২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনার নতুন এই ধরনটির সংক্রামিত করার ক্ষমতা বেশি হলেও রোগের তীব্রতা কম। তবে অসাবধানতা এবং অচেতনতায় ধরনটি যেকোনো সময় শক্তিশালীও হয়ে উঠতে পারে। তাই সবাইকে যথেষ্ট সচেতন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ