1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি : বাণিজ্যমন্ত্রী | ঢাকা আওয়ার
বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন

বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি : বাণিজ্যমন্ত্রী

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬

বর্তমানে দেশে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

বুধবার (১০ জুন) বাণিজ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে অনুষ্ঠিত জার্মানির এশিয়া প্যাসিফিক বিষয়ক মহাপরিচালক হার্টম্যানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৈঠকে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি রপ্তানি খাত, বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প। তবে দেশের সামনে বর্তমানে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং উৎপাদনশীল বিনিয়োগ বৃদ্ধি। প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করায় নতুন শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এখন সময়ের দাবি।

মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার ব্যাপক সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ব্যবসা শুরু ও পরিচালনার ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে লাইসেন্স ও অনুমোদন প্রক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে সহজ করা হচ্ছে। একইসঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং কৌশলগত জ্বালানি মজুত সক্ষমতা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতা গড়ে তোলার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ চলছে, যেখানে বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকে স্বাগত জানানো হবে।

জার্মানির মহাপরিচালক ফ্রাংক হার্টম্যান বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ও সংস্কার উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, জ্বালানি বৈচিত্র্যকরণ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং আধুনিক অবকাঠামো উন্নয়ন দীর্ঘমেয়াদে টেকসই প্রবৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে জার্মানির সরকার ও বেসরকারি খাত বাংলাদেশের পাশে থাকতে আগ্রহী।

তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বাংলাদেশের মধ্যে চলমান অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও বাণিজ্যিক সুবিধা ও বাজারে প্রবেশাধিকার অব্যাহত রাখতে জিএসপি প্লাস এবং সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে সমান্তরালভাবে অগ্রসর হওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকে উভয়পক্ষ জ্বালানি রূপান্তর, সবুজ প্রযুক্তি, শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বাংলাদেশ-জার্মানি সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত রুডিগার লোটজ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ