1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
ব্রয়লার ১৮৫ টাকা কেজি হলেও ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা | ঢাকা আওয়ার
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান বদিউর, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান সেলিম রহমান ব্রয়লার ১৮৫ টাকা কেজি হলেও ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা মসজিদে নামাজে নিষেধাজ্ঞা,পশ্চিমবঙ্গে প্রতিবাদে নামছেন প্রায় ১ কোটি মুসলিম বাংলাদেশিসহ বিদেশি সব শিক্ষার্থীর জন্য ভিসায় বড় পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্রের লোহিত সাগরের জলপথ বন্ধ করতে হুথি গোষ্ঠীকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ ইরানের ইউক্রেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী সের্হি কোরেতস্কি নতুন নৌবাহিনী প্রধান হলেন খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় প্রতি বছর ১৬ বিলিয়ন ডলার পাচার হতো: প্রধানমন্ত্রী সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদুর রহমান মনির বরখাস্ত ইয়োলোর নামে ৪১৬ ঋণ জালিয়াতি, দুদকের মুখোমুখি জনতার ১০ কর্মকর্তা

ব্রয়লার ১৮৫ টাকা কেজি হলেও ডিমের ডজন ১৩৫ টাকা

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬

রাজধানীর বাজারে মাংস ও ব্রয়লার মুরগির দাম স্থিতিশীল থাকলেও বেড়েছে ডিমের দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনে ১০ টাকা করে বেড়েছে। একই সঙ্গে অধিকাংশ মাছের দামও বেশি থাকায় স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়, আর ডিম ১৩৫ টাকা ডজন।

আজ শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, গত সপ্তাহের তুলনায় ডিমের দাম বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা ডজন ছিল। প্রতি কেজি গরুর মাংসের কেজি ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংস কিনতে গেলে কেজিতে খরচ করতে হবে এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা।

কয়েকটি মাছের দাম বেশ চড়া দেখা গেছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৬০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩০০ থেকে ৩৫০, বড় আকারের রুই ৪০০ থেকে ৪৫০ ও ট্যাংরা ৬০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২২০ থেকে ১৩০ টাকা, পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইলিশের গায়ে যেন হাত দেওয়া যায় না। ৮০০ থেকে ৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি দুই হাজার থেকে দুই হাজার ২০০ টাকা। আর এক কেজি ওজনের ইলিশ দুই হাজার ৩০০ থেকে দুই হাজার ৪০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে কিছুটা স্বাভাবিক রয়েছে চাষের কই, তেলাপিয়া, পাঙাশ ও মাঝারি আকারের রুই মাছের দাম। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

অন্যদিকে মুরগির বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

রায়েরবাজারের রমিজ উদ্দিন নামে এক ক্রেতা বলেন, মাছের দাম আগের মতোই আছে। আমরা পাঙাশ আর তেলাপিয়ার মাছের খবর রাখি। অন্য মাছ তো কেনার সামর্থ্য নাই। পাঙাশও ২০০ টাকার নিচে নাই। তিনি আরও বলেন, বয়লার মুরগির দোকানে গিয়ে দেখেছি, আজকেও কেজি ১৮৫ টাকা বিক্রি হয়। এত দাম হলে কীভাবে খাব?

মাছ ব্যবসায়ী মুকুল বলেন, মাছের বাজারের দাম সকালে এক বিকালে আরেক। ১০ থেকে ৩০ টাকা ওটা নামা করে। কয়েক মাস ধরেই মাছের বাজারে দামের বড় কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার ভাষ্য, চিংড়ি, রূপচাঁদা, শোল ও বড় আকারের রুইয়ের মতো মাছের দাম বরাবরই তুলনামূলক বেশি থাকে। কারণ, এসব মাছ মূলত বেশি ক্রয়ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রেতারাই কিনে থাকেন।

ডিম ব্যবসায়ী মাসুম বলেন, ডিমের দাম আগের তুলনা ১০ টাকা ডজনে বেড়েছে। এক ডজন সাদা ব্রয়লার মুরগির ডিমের দাম ১২৫ টাকা আর ব্রাউন কালারের ১৩৫ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা ডজন ছিল।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ