ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার ওপর সামরিক উত্তেজনার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ আবারও নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নিয়েছে। ইরান থেকে উৎক্ষেপিত একটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তুরস্কের আকাশসীমার কাছে ন্যাটো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ভূপাতিত করা হয়েছে। তুরস্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বুধবার (৪ মার্চ)
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির করার আগে এ বিষয়ে দুই রাজনৈতিক দল- বিএনপি ও জামায়াত থেকে ‘সম্মতি’ আসার কথা বলেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল
একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে বলছে, ইরানকে অস্থিতিশীল করতে এবং দেশটিতে সরকারবিরোধী বিদ্রোহ উসকে দিতে কুর্দি বাহিনীকে অস্ত্র দেয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েলের সঙ্গে মিলে ইরানকে অস্থিতিশীল
টানা পঞ্চম দিনের মতো ইরানে ভয়াবহ হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানও থেমে নেই। উপসাগরীয় দেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় পাল্টা আঘাত করছে তারা। এতে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ক্রমেই
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) উপর্যুপরি ছুরিকাঘাতে সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহত হয়েছেন। একই সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের কর্মচারী ফজলুর রহমানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা হোসেইনি খামেনিকে ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার খবর দিয়েছে ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম। সেসব খবরে বলা হচ্ছে, ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস মোজতবাকে খামেনির
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি (এইচআরএএনএ) জানিয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে সহিংসতায় অন্তত ১ হাজার ৯৭ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের ফলে যুদ্ধ পরিকল্পনা ও হামলার গতি ‘চিন্তার গতির’ চেয়েও দ্রুত হয়ে উঠছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, এই
ইরান থেকে ছোড়া ১৭৮টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ৩৮০ বিস্ফোরকবাহী ড্রোন আঘাত হানার আগেই ধ্বংস করতে পেরেছে কুয়েতের সেনাবাহিনী। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ মার্চ পর্যন্ত তিন দিনে এসব ড্রোন হামলা