1. [email protected] : মো: সরোয়ার সরদার : মো: সরোয়ার সরদার
  2. [email protected] : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক : ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  3. [email protected] : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি : আসিফ অনিক, খুবি প্রতিনিধি
  4. [email protected] : Sadak Mostafa : Sadak Mostafa
  5. [email protected] : বিশেষ প্রতিনিধি : বিশেষ প্রতিনিধি
  6. [email protected] : Yousuf Mahmud : Yousuf Mahmud
রামিসা হত্যার রায় ৩ মাসের মধ্যে কার্যকর করা সম্ভব : আইনমন্ত্রী | ঢাকা আওয়ার
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:

রামিসা হত্যার রায় ৩ মাসের মধ্যে কার্যকর করা সম্ভব : আইনমন্ত্রী

ঢাকা আওয়ার ডেস্ক
  • রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, পল্লবীর শিশু রামিসা আক্তারের ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় তিন মাসের মধ্যে কার্যকর করা সম্ভব। রবিবার (৭ জুন) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ছয় কার্যদিবসের মধ্যে মামলার রায় দেওয়া হয়েছে এবং সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করা গেলে তিন মাসের মধ্যেই তা কার্যকর করা সম্ভব। আইনে নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া না থাকলেও প্রতিটি ধাপ অনুসরণ করেই এই মামলার বিচার সম্পন্ন হয়েছে। রায় নিয়ে সরকার সন্তুষ্ট এবং আশা করা হচ্ছে, উচ্চ আদালতেও এটি বহাল থাকবে।’

তিনি জানান, আইনি ধাপগুলো অনুসরণ না করে দ্রুত কার্যকর করা হলে প্রশ্ন উঠতে পারে।

আসামিরা চাইলে উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবে, সেখানেও নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী সাত দিনের মধ্যে মামলার নথি ডেথ রেফারেন্স কনফার্মেশনের জন্য হাইকোর্টে পাঠানো হবে উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান জানান, এরপর সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে পেপার বুক প্রস্তুত করা হবে এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী শুনানি শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।

এদিকে, এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। পরে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে প্রিজনভ্যানে করে আদালতে হাজির করা হয়।

গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ৭ জুন রায়ের দিন ধার্য করা হয়। মাত্র চার কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন হয় এবং রায়কে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এর আগে ১ জুন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। ২ জুন ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়।

৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন।
ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। এর পাশাপাশি সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাদের সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থ ভুক্তভোগী পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন

এই বিষয়ের আরও সংবাদ